ক্লাব ফুটবলের বন্ধু যখন বিশ্বকাপের শত্রু

জয় দিয়ে বিশ্বকাপের হেক্সা মিশন শুরু করেছিল ব্রাজিল। আজ রাত ১০ টায় ‍টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে তারা মুখোমুখি হচ্ছে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে। আজ জিতলেই নিশ্চিত হবে শেষ ষোলোর টিকেট।

জাতীয় দলের জার্সিতে বিশ্বকাপ খেলা খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষ হলেও, ক্লাব ফুটবলে তারাই আবার সতীর্থ। উল্টোটাও আছে। দেশের পোশাকে সতীর্থ হলেও ক্লাব ফুটবলে তারা আবার শত্রুপক্ষ। ব্রাজিলের দুই ফুটবলার গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও মার্তিনেল্লি যেমন সুইজারল্যান্ডের গ্রানিত জাকার সঙ্গে খেলেন আর্সেনালে। মৌসুমজুড়ে একসঙ্গে থাকা সতীর্থরা এক ম্যাচের জন্য ‘বন্ধু থেকে শত্রু’তে পরিণত হতে চলেছেন।

জাকার ভাষ্য, ‘সতীর্থকে প্রতিপক্ষ দলে পেলে তো ভালোই। চেনাজানা আছে। তবে আমরা সবাই পেশাদার ফুটবলার। আর প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা ৯০ মিনিটের।’

ক্লাব থেকে ছুটি নিয়ে জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার আগে তিনজনের মধ্যে এ নিয়ে বেশ কথাও হয়েছে। এ নিয়ে জাকা বলেছেন, ‘বিশ্বকাপের আগে ওদের সঙ্গে মজা করছিলাম। একদিন জেসুস আর মার্তিনেল্লিকে বললাম, ‘তোমরা যদি আমাদের গোলকিপারের সঙ্গে লড়াই করতে যাও, আমি তোমাদের চূর্ণবিচূর্ণ করে দেব। ওরা কিছুটা ভয়ও পেয়েছে। জানে, আমি ভাঙচুর চালালে সেটা খুব কঠিন কিছুই হয়।’

আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত জাকা মনে করেন, জাতীয় দলের হয়ে খেললে দেশের স্বার্থের কথা সবার মাথায় আটকে থাকে, ‘আমরা এক দলে খেলি এটা বিশ্বকাপে কোনো বড় বিষয় নয়। এটা বিশ্বকাপ। সে তাঁর দেশের জন্য খেলবে, আমি আমার দেশের জন্য খেলব। সবাই জিততে চায়।’

জেসুস ও মার্তিনেল্লি অবশ্য ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে সার্বিয়ার বিপক্ষে শুরুর একাদশে ছিলেন না। দ্বিতীয়ার্ধে রিচার্লিসন ও রাফিনিয়ার বদলি হিসেবে নেমেছিলেন।