ইকুয়েডরকে হারিয়ে নকআউটে সেনেগাল

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে নিলেন ইসমাইলা সার। বিরতির পর ইকুয়েডরকে সমতা এনে দিলেন মইসেস কাইসেদু। তিন মিনিট পরেই কালিদু কলিবালির গোলে ফের এগিয়ে গেল সেনেগাল। সেই লিড ধরে রেখে জয়ের আনন্দে মাঠ ছাড়ল দলটি।

কাতার বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে মঙ্গলবার ইকুয়েডরকে ২-১ গোলে হারিয়েছে সেনেগাল। সুবাদে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত হয়েছে তাদের।

২০০২ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে এসে চমক দেখানো সেনেগাল ২০ বছর পর দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলার যোগ্যতা অর্জন করল।

দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলতে হলে এই ম্যাচ ড্র করলেই চলত ইকুয়েডরকে। সেনেগালকে জিততেই হতো। তাদের খেলায়ও সেটাই ফুটে উঠল।

প্রথমার্ধে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে সেনেগাল। কিন্তু গোলের মুখ খুলতে পারছিল না তারা। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধের শেষ দিকে পেনাল্টি পায় আফ্রিকার দেশ। গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইসমাইলা সার।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ করার মরিয়া চেষ্টা শুরু করে ইকুয়েডর। অধিনায়ক এন্নার ভ্যালেন্সিয়ার নেতৃত্বে আক্রমণের ঝড় তোলে তারা। ফলও মেলে। ৬৮ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে সমতা ফেরান মইসেস।

ওই সময় মনে হচ্ছিল, এই ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট নিয়ে পরের রাউন্ডে পা দেবে ইকুয়েডর। কিন্তু তখনও নাটক বাকি ছিল। তিন মিনিট পর সেনেগালকে ফের এগিয়ে দেন কলিবালি।

বাকি ২০ মিনিটে অনেক চেষ্টা করেও গোল শোধ করতে পারেনি ইকুয়েডর। শেষ পর্যন্ত হেরেই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

গ্রুপের অন্য ম্যাচে কাতারকে ২-০ গোলে হারিয়েছে নেদারল্যান্ডস। তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়েছে ডাচরা। ৬ পয়েন্ট নিয়ে সেনেগাল হয়েছে দ্বিতীয়। ইকুয়েডর চার পয়েন্ট নিয়ে আসর শেষ করল। কাতার তিন ম্যাচেই হারায় কোনো পয়েন্ট পায়নি।