ভিডিও গেম বিক্রেতা রোমান ক্রিভি। কিয়েভের বরফ ঢাকা কোনো মাঠ থেকে ফুটবল খেলে এসেছেন। তখনও বিদ্যুৎহীন ছিল ইউক্রেন। একটি কাবাবের দোকানের সামনে আসতেই বিদ্যুৎ চলে আসে। তখন আবার টিভিতে চলছিল ইংল্যান্ড-ওয়েলসের মধ্যকার গ্রুপ পর্বের শেষ খেলাটি।
২২ বছর বয়সী এই ফুটবলার ম্যাচে কোন দলকে সমর্থন দিচ্ছিলেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তার এখনও মনে আছে, হতাশায় সেদিন মেঝেতে গড়াগড়ি খাচ্ছিলেন, আর কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন, যখন ওয়েলসের কাছে হেরে ইউক্রেনের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়।
সে ক্ষোভ এখনও কাটেনি ক্রিভির। তাই তো আলাপকালে বলেন, ‘শুধু ইংল্যান্ড! তারা আমাদের সামরিক উপায়ে সাহা্য্য করেছে।’
ক্রিভি যোগ করেন, ‘ইংল্যান্ড ও ওয়েলস উভয়ই যুক্তরাজ্যের অংশ। যে দেশটি উদারভাবে ইউক্রেনকে বিভিন্নভাবে সমর্থন দিয়ে এসেছে। তাদের সহায়তায় রাশিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার চেষ্টা করতে পেরেছি। আমি চাই, ইংল্যান্ড সব দিক দিয়ে এগিয়ে যাক।’
ইউক্রেন কাতার বিশ্বকাপে না থাকায়, দেশটি ফুটবল ভক্তরা ইউরোপের বিভিন্ন দেশগুলোকে সমর্থন দিয়ে চলেছেন। বিশেষ করে রাশিয়ার আক্রমণের পর ইউক্রেনকে যারা সাহায্য করেছেন তাদের দিকেই ঝুঁকটা বেশি। এর বাইরেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কারণে পর্তুগালকে এবং লিওনেল মেসির মতো তারকার কারণে আর্জেন্টিনাকেও অনেকে সমর্থন করছেন।