সেঞ্চুরির ফোয়ারা ছোটা একদিন কাটল ক্রিকেটে। অস্ট্রেলিয়া-উইন্ডিজ, পাকিস্তান-ইংল্যান্ড; চলমান দুই টেস্টেই তাতে রানের বন্যা। মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভেন স্মিথের ডাবল সেঞ্চুরিতে পার্থে উইন্ডিজের ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে অজিরা। ৪ উইকেটে ৫৯৮ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দ্বিতীয় দিন শেষে ৫২৪ রানে এগিয়ে স্বাগতিকরা। উইন্ডিজ বিনা উইকেটে ৭৪ রান করেছে। ওদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে লাহোরের ব্যাটিংস্বর্গে সেঞ্চুরি উৎসবে মেতেছে ইংল্যান্ড। শুরুর তিন জ্যাক ক্রলি, বেন ডাকেট, ওলিয় পোপ ও হ্যারি ব্রুকের সেঞ্চুরিতে মাত্র ৭৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৫০৬ রান করেছে ইংল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার বিশাল রান পাহাড় গড়ে উঠেছে লাবুশেন ও স্মিথের ২৫১ রানের জুটিতে। লাবুশেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির তুললেন। এ মাঠে খেলা সবশেষ টেস্টেও সেঞ্চুরি করেছিলেন এই ব্যাটার। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ওই ম্যাচে আগে ১৪৩ ও ৫০ রান। এদিকে স্মিথ সেঞ্চুরি করে ছুঁয়েছেন স্যার ডন ব্যাডম্যানকে। সাবেক কিংবদন্তির মতো স্মিথেরও এখন ২৯টি টেস্ট সেঞ্চুরি। এছাড়া ঘরের মাঠে ৪০০০ টেস্ট রানের কোটাও ছাড়িয়েছেন ৬৪.৫৩ গড়ে। স্মিথের আগে হোমে সেরা গড়ে রান তোলায় এগিয়ে আছেন মাত্র দুজন। ব্র্যাডম্যান ৯৮.২২ ও স্যার গারফিল্ড সোবার্স ৬৬.০৮। এছাড়া উইন্ডিজের সঙ্গে ছয় টেস্টে ২৩২.৩৩ গড়ে রানের গতিটাও ধরে রেখেছেন স্মিথ। অপর ব্যাটার ট্রাভিস হেড ৯৯ রানে আউট হওয়ার সঙ্গেই ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া।
এদিকে সাবেক উইন্ডিজ কিংবদন্তি শিবনারায়ণ চন্দরপলের ছেলে ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল অভিষেক টেস্টে দারুণ ব্যাট করছেন। পুরো ১৫২.৪ ওভার ফিল্ড করার পর ২৫ ওভার ব্যাট করে ৭৩ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত আছেন।
লাহোরে ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের টেস্ট সফরের প্রথম দিন দাপট তাদেরই। আগে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ২৩৩ রান তুলে সফরকারীরা। ২০১৬ সালের পর প্রথম টেস্ট খেলতে নামা ডাকেট ১০৭ রান করেন। এছাড়া ক্রলি ১২২, ওলিয়ে পোপ ১০৮ রান করেন। পোপকে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ব্রুক ১৭৬ রানের জুটি গড়েন। দিন শেষে বেন স্টোকসের (৩৪) সঙ্গে ১০১ রানে অপরাজিত ছিলেন ব্রুক। টেস্টে প্রথম ওভারে ১৪ রান নেয় ইংল্যান্ড।