নয়াপল্টনে 'পুলিশি হামলা'র প্রতিবাদ গণফোরামের

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে পুলিশি হামলায় ১ জন নিহত ও অসংখ্য আহত করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণফোরাম।

বুধবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণফোরাম নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে দলের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, পুলিশ যেন জনগণের প্রতিপক্ষ না হয়। পুলিশ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী তাদের কর্তব্য হলো জনগণকে সাহায্য করা, সেবা করা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কোনো দলের বা সরকারের হাতিয়ার বা লঠিয়াল হিসেবে ব্যবহার হোক তা কাম্য নয়। বিএনপি তাদের সমাবেশের জন্য আলোচনা করছে ডিএমপির সাথে, ঠিক তখনই সরকারের নির্দেশে ইচ্ছাকৃতভাবে একটা অশান্ত পরিবেশ তৈরির জন্য বিএনপি অফিসে প্রবেশ করে এবং অসংখ্য নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে।

এর আগে, অহেতুক প্রচুর পরিমাণ টিয়ারগ্যাস ও গুলি করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে নেতাকর্মীদের সরানোর অপকৌশল করে। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয় হামলা এতে এপর্যন্ত ১ জন নিহত ও কয়েকজন মারাত্মক আহতসহ প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আজকের এই ঘটনা দুঃখজনক রাজনীতির অঙ্গনে অশনি সংকেত। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকার বিএনপির ১০ তারিখের সমাবেশ পণ্ড করতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। যেখানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের যোকোন সভা সমাবেশ পুলিশ প্রোটেকশনে হয়ে যাচ্ছে পারমিশনের দরকার হয় না, বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

পুলিশ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সহনশীল থাকার আহ্বান জানিয়ে গণফোরাম নেতৃবৃন্দ বলেন, বিরোধীদলের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশ যাতে প্রতিপক্ষ না নয়। যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হোক। এই হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণফোরাম নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ, সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ফারুক।