বিশ্বকাপ ফুটবলের বাণিজ্য

জার্সির কথা বাদই থাক। চলুন লুঙ্গির কথা বলি। ৩৭০ টাকাফিক্সড প্রাইজ ব্রাজিল লুঙ্গি কিংবা আর্জেন্টিনা লুঙ্গি। ফিক্সড প্রাইজ লেখা থাকলেও দর-কষাকষিতে সমস্যা নেই। একই মানের লুঙ্গির (ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা বর্জিত) দাম আড়াইশ টাকা। শুধু ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা নয়, বড় মাপের অন্য ফুটবলার দেশের জার্সি ঢাকার বাজারে আসে, হয়তো লুঙ্গিও এসে যাবে।

বহু বছর আগেই বিশ্ববাজারে ব্রাজিল বক্ষবন্ধনী এবং আর্জেন্টিনা বক্ষবন্ধনী এসেছে। ইতালি, স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগাল ও উরুগুয়ে বক্ষবন্ধনীও ফুটবলের আনুষঙ্গিক ক্রয় তালিকায় ঢুকেছে। আরও কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার প্রশ্নে যারা নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে চান সে ধরনের ফুটবলপ্রিয় নারীর জন্য মিশ্র ডিজাইন বাজারে এসেছেএকটি কাপ ব্রাজিল জার্সির, একটি কাপ আর্জেন্টাইন জার্সির।

বাংলাদেশের মুদি দোকানে চিপস এবং ক্রিসপস-এর প্যাকেটের নতুনত্ব এসেছে, এবারই প্রথম চোখে পড়ল দশ টাকা দামের ব্রাজিল প্যাকেট, দশ টাকা দামের আর্জেন্টিনা প্যাকেট।

ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা যত প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হোক বিশ্বকাপ শুরুর ৯২ বছরে ফাইনালে কখনো ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়নি। মাত্র চারবার পরস্পরকে বিশ্বকাপে মোকাবিলা করেছে; ১৯৭৪-এ দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিল ২-১ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারায়, ১৯৭৮-এ দ্বিতীয় রাউন্ডে ০-০ ড্র হয়, ১৯৮২-তে ৩-১ গোলে ব্রাজিল জিতে, ১৯৯০ সালে শেষ ষোলোর রাউন্ডে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে ব্রাজিলকে হারায়।

বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপের একটি বড় সূচক টেলিভিশন বিক্রয় বৃদ্ধি। শুধু ফুটবলের জন্য আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য থেকেও ধার করে বাংলাদেশের গ্রামেও অনেক বাড়িতে টেলিভিশন কেনা হয়েছে। টেলিভিশন শিল্পের বিকাশে ফুটবল শুধু বাংলাদেশে নয় উন্নয়নশীল সব দেশেই বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

ফুটবল সরঞ্জাম

অবশ্যই ফুটবল। ভালোমানের ফুটবলের দাম ১০০ ডলারও হতে পারে। আর কি লাগে, মাঠ গোলপোস্ট তো লাগবেই, বাকি তালিকাটি করে ফেলি : গোলপোস্ট নেট, কর্নার ফ্ল্যাগ, ফুটবল ব্যাগ, ক্যাপ্টেন’স আর্মব্যান্ড, পানির বোতল, গোলকিপার্স গ্লাভস, গোলকিপার্স জার্সি, প্লেয়ার্স জার্সি, প্লেয়ার্স শর্টস, মোজা, অ্যাথলেটি টেপ, মাউথ গার্ড, পিন গার্ড, শিন প্যাড, রেফারির ইউনিফর্ম, রেফারির ফ্ল্যাগ, স্টপওয়াচ, পেনাল্টি কার্ডহলুদ ও লাল, হুইসেল, ট্রেনিং বল, ওয়ার্মআপ ক্লথস, সকার ক্লিটস, ইনডোর শু, টার্ফ শু, বুট, গিয়ার ব্যাগ, জকস্ট্র্যাপএমন অনেক আইটেম যা অ্যাডিডাস, নাইকির মতো প্রতিষ্ঠান বিশ্ববাজারে সরবরাহ করে থাকে। ফুটবল সরঞ্জাম ফিফা বা অ্যাডিডাসের মতো প্রতিষ্ঠান নিজেরা তৈরি করে না, বাণিজ্যিক সুনাম রয়েছে এমন দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে তৈরি করায়। কাতার বিশ^কাপের ফুটবল আল রিহলা তৈরি হয়েছে পাকিস্তানে, ইন্দোনেশিয়ায়; কাতারের স্টেডিয়ামগুলোতে ফুটবল জার্সি গায়ে যেসব উদ্যমী সমর্থকদের দেখা যাচ্ছে তাদের অনেকের জার্সিই বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানায় তৈরি হয়েছে। কেবলমাত্র বিশ^ ফুটবলের বাজার ২০০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গেছে। পাকিস্তানের শিয়ালকোট এবং আশপাশে ফুটবল তৈরির ১০০০ কারখানা রয়েছে।

বিশ্বকাপে ব্যবহৃত ফুটবল

১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে টিয়েন্টো ও টি-মডেল ফুটবল বেছে নেওয়া হয়েছে। ফাইনালের দিন প্রথমার্ধের বল সরবরাহ করেছে আর্জেন্টিনা। বলটি টিয়েন্টো। দ্বিতীয়ার্ধের বল টি-মডেল জোগান দিয়েছে অপর ফাইনালিস্ট উরুগুয়ে। ৪-২ গোলে উরুগুয়েই বিশ্বকাপ জিতে নেয়। রোম বিশ্বকাপে (১৯৩৪) ফেডারেল টি এবং প্যারিস বিশ্বকাপে (১৯৩৮) এলেন ফুটবল মাঠে নামানো হয়। ব্রাজিল বিশ্বকাপে (১৯৫০) সুপারবল কোম্পানি ডুপ্লো টি এবং সুইজারল্যান্ড বিশ্বকাপে (১৯৫৪) সুইস ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন ব্র্যান্ডের ফুটবল ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৮-তে স্টকহোম বিশ^কাপে মাঠে নামে টপ স্টার ফুটবল। ১৯৬২-এর চিলির বিশ^কাপে ক্র্যাক ছিল দাপ্তরিক ফুটবল। কিন্তু রেফারি অ্যাস্টন বলটি গ্রহণে রাজি না হওয়ায় ইউরোপিয়ান বল সরবরাহ করা হয়। ইউরোপিয়ান টিমগুলো চিলিতে প্রস্তুত বলে খেলতে রাজি হয়নি। ১৯৬৬-তে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে স্ল্যাজেঞ্জার কোম্পানির চ্যালেঞ্জ-৪ স্টার ফুটবল ব্যবহার করা হয়। ১৯৭০ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে অ্যাডিডাস প্রথমবারের মতো টেলস্টার ফুটবল সরবরাহ করে। সেই থেকে ২০২২ পর্যন্ত অন্য কোনো কোম্পানি অ্যাডিডাসকে অপসারণ করে জায়গা নিতে পারেনি। এ বছর ৫২ পূর্তি হচ্ছে, সম্ভবত আগামীতে অ্যাডিডাসের রাজত্ব বহাল থাকবে। ১৯৭৪-এ সরবরাহ করে টেলস্টার ভুরলাস্ট বলের ওপর পলিথিন আস্তরণ, ফলে ওয়াটার প্রুফ, সুতা বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও দূর হয়। অ্যাডিডাস ১৯৭৮-এ আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে সরবরাহ করে ট্যাঙ্গো। একই বল ইউরোপিয়ান লিগ এবং অলিম্পিকও গ্রহণ করে। ১৯৮২-এর স্পেন বিশ্বকাপে আসে ট্যাঙ্গো এস্পানা, ১৯৮৬-তে মেক্সিকো বিশ্বকাপে মাঠে নামে সম্পূর্ণ সিনথেটিক অ্যাজটেকা বল। ১৯৯০ সালে রোম বিশ্বকাপে ইলেস্কো ইউনিকো, ১৯৯৪-তে যুক্তরাষ্ট্রে কোয়েস্ত্রা, ১৯৯৮-তে ফ্রান্সে আসে ট্রিকালার, সেবারই বহু রঙের ফুটবল মাঠে ছোটাছুটি করে। ২০০২-এ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ বিশ্বকাপে ফেভারনোভা, ২০০৬ সালে জার্মানিতে টিমগিস্ট বার্লিন ফুটবল প্রতিটি ম্যাচের তারিখ, স্টেডিয়ামের নাম এবং দলের নাম ফুটবলে মুদ্রণ করা হয়।

২০১০-এ দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপে জাবুলানি নামের ৮ প্যানেলের ফুটবল ব্যবহার করা হয়, তবে এই বলের অ্যারোডিনামিক্স নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। ২০১৪ সালের বল ব্রাজুকা এবং শেষ দিনের জন্য ব্রাজুকা ফাইনাল রিও। এই বিশ্বকাপটি ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৮-এর রাশিয়ার বিশ্বকাপে টেলস্টার এইটিন এবং টেলস্টার মেখতা ব্যবহার করা হয়। ২০২২-এ কাতার বিশ্বকাপে ব্যবহৃত আল রিহলা ধারণ করছে ভিডিও অ্যাসিস্টেড রেফারিং-এর জন্য কার্যকর চিপযুক্ত ফুটবল। ফুটবল খেলোয়াড়কে বিশ্বখ্যাতি এনে দেয়, দারিদ্র্য ঘোচায় এমনকি মহাবিত্তবানও করে তোলে। ফুটবল ক্লাব একসময় কেবল সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং বিনোদনের ক্লাবও ছিল। এখন সবকিছু ছাপিয়ে ফুটবল ক্লাব বৃহৎ বাণিজ্যের ক্লাব। ফুটবল ক্লাবের কাজ বাণিজ্য সফল দল তৈরি করা, তার মানে যেভাবেই হোক উইনিং দল গঠন করা হচ্ছে ক্লাবের সাফল্য। তার পরও ইউরোপের বড় দলগুলোর দিকে তাকালে আতঙ্কিত হতে হয়, বেশ কটার ঋণের অঙ্ক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

ইউরোপা লিগসহ শ্রেষ্ঠ কটি লিগে মূলত বাণিজ্যই মুখ্য হয়ে উঠেছে। এই লিগগুলো হচ্ছে : স্প্যানিশ লা লিগা, প্রিমিয়ার লিগ, বুন্দেসলিগা ইতালিয়ান সেরি এ, পর্তুগিজ লিগা, ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান, ডাচ এরডিভাইস, আর্জেন্টাইন লিগ, ব্রাজিলিয়ান সেরি এ। আর ধনী দলগুলোর মধ্যে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ, ম্যানচেস্টার সিটি, আর্সেনাল, প্যারিস-সেইন্ট-জার্মান, চেলসি, লিভারপুল, জুভেন্টাস, টটেনহাম হটস্পার, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ, লিস্টার সিটি ও ইন্টারন্যাশিওনাল। ফুটবল খেলোয়াড়, কোচ থেকে শুরু ম্যানেজার পর্যন্ত সবই নিলামে উঠে চড়া দামে বেচাকেনা চলে। প্রতিটি ক্লাবকেন্দ্রিক হরেক রকম ব্যবসা, চকলেট থেকে শুরু করে পানীয় সবই বিক্রি হয়। যদি বিশ্বকাপের হিসাব ধরা হয়১৯৯০ সালে ইতালি ব্যয় করেছে ৪ বিলিয়ন ডলার, ৩২ বছর পর কাতার ২২০ বিলিয়ন ডলার, সবই বাণিজ্যিক পণ্য ও স্থাপনার পেছনে ব্যয় হচ্ছে। শুধু রেফারির হুইসেলের কথা ভাবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্যবহৃত কয়েকটি হুইসেল ব্র্যান্ড : হিপাত হুইসেল (২৩ ডলার) একমি টোরনাডো হুইসেল (৬ ডলার), ফক্সফর্টি রেফারি হুইসেল (৯ ডলার), ফক্স ফর্টি ক্ল্যাসিক হুইসেল (৭ ডলার), গিলবার্ট হুইসেল (১০ ডলার), স্কুইজ হুইসেল (১০ ডলার), নিউপ্যাল কোচ হুইসেল (১৩ ডলার), একমি থান্ডার ৫৮ (১৫.১০ ডলার)। দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশ এই হুইসেলও টার্গেট করতে পারেনি।

পৃথিবীতে ফুটবলপ্রেমিকের সংখ্যা ৪ বিলিয়ন। এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কোনো না কোনো দলের কোনো না কোনো খেলোয়াড়ের ফ্যান। প্রশ্ন হচ্ছেএই ফ্যানরা কি সমর্থক, না ভোক্তা? বাণিজ্যের সাফল্যনির্ভর করে ভোক্তার সাড়ার ওপর। ফ্যান যদি একটি দলের সাপোর্টার হয়ে থাকেন তার পছন্দ ভীষণ সীমিত। সমর্থন করা দলের জন্য সমর্থনকারী ভালোবাসার শেকলে বাঁধা এখান থেকে বেরিয়ে আসা তার জন্য কঠিন এবং যন্ত্রণারও। কিন্তু কনজিউমার বা ভোক্তার পছন্দ অবারিত। তিনি দর-কষাকষি করতে পারেন, পছন্দ না হলে এক বিক্রেতার কাছ থেকে অন্য বিক্রেতার কাছে যেতে পারেন। কিন্তু সমর্থক হয়ে গেলে ফুটবল ও ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পণ্য ক্রয়ে ঠকতেই হয় বেশি। ব্যবসায়ী সে ক্ষেত্রে সমর্থকের আবেগকে এক্সপ্লয়েট করার সুযোগ নেন। সাধারণ ব্যবসায় ভোক্তাকে নির্ধারিত মানের সন্তুষ্টি প্রদান করতে না পারলে বিক্রেতার বাজারে টিকে থাকা কঠিন, কিন্তু সমর্থক হলে তিনি আর বিক্রেতার অস্তিত্বের জন্য হুমকি নন, বরং শোষিত হওয়ার জন্য অবচেতনে প্রস্তুত।

ফুটবলার কি ব্যবসায়ী হতে পারেন; উত্তর না এবং হ্যাঁ, উভয়ই। ‘না’-এর ভাগই বেশি। পেলে লিখেছেন আমি ভালো ব্যবসায়ী নই, আমি হৃদয়ের কথা শুনি। জর্জ ব্রেস্ট টাকার সবচেয়ে দুর্বল ব্যবস্থাপকদের একজন। তিনি বলেছেন, আমার টাকার ৯০ ভাগ নারী, গাড়ি ও অ্যালকোহলের জন্য ব্যয় করেছি, ১০ ভাগ মাত্র অপচয়। আবার ব্যবসাসফল ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন : জেরার্ড পিকে, ডেভিড বেকহাম, ম্যাথু ফ্ল্যামিনি, অলিভার কান প্রমুখ। ফরাসি ফুটবলার ও ফুটবল ব্যবস্থাপক মিশেল প্ল্যাতিনির কথা স্মরণ করতে হয় :

It’s a game before a product

a sport before a market

a show before a business

ফুটবল পণ্যের আগে একটি খেলা, বাজারের আগে একটি ক্রীড়া, ব্যবসায়ের আগে একটি প্রদর্শনী।

ব্যবসায়ের নব্য ব্র্যান্ড

ঢাকায় এবং ঢাকার বাইরেও মেসি-শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। নিজের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি পর্যন্ত চার কিলোমিটার দীর্ঘ একটি দক্ষিণ কোরীয় পতাকা বানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ায় অনেক বছরের কর্মজীবন কাটিয়ে দেশে ফেরা এক যুবক। তিনি মনেপ্রাণে কামনা করেন যে দেশ তার অন্নের সংস্থান করে একটি বিয়ে করার সামর্থ্য সৃষ্টি করেছে, সেই দক্ষিণ কোরিয়া জিতুক। পতাকার ব্যবসাটি রমরমা। এর মধ্যে ভারতের বিরুদ্ধে ক্রিকেটে বাংলাদেশ জিতলেও যে উচ্চস্বর আনন্দ ধনী ওঠার কথা তা হয়নিউল্লেখযোগ্য একটি অংশের নজর কেবল ফুটবলেরই ওপর। বাংলাদেশের পতাকা বিক্রি বাড়তে পারত, আশানুরূপ বাড়েনি। ফিফা ব্যাজ লাগানো কয়েক লাখ জ্যাকেট সরবরাহ করেছে বাংলাদেশের একটি পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান। পণ্য বিক্রি বাড়াতে এ সময় জিলেট রেজর নিয়ে ক্যামেরায় দাঁড়িয়েছেন ফুটবলার মেসি।

পতাকা আর জার্সি বিক্রিতে এগিয়ে কোন দেশ? ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা? টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, ভারতে আগ্রহের শীর্ষে আছে আর্জেন্টিনা, তারপরই ব্রাজিল। বিভিন্ন দেশের প্রতীক ও রংশোভিত আন্ডারওয়্যারও বিক্রি হচ্ছে। পণ্য বিপণনে বিজ্ঞাপনের ভূমিকা অসীম। বিশ্বকাপ পণ্য হিসেবে বিগত কয়েক দশকে প্রচারিত বিজ্ঞাপনে সেরা কটির মধ্যে রয়েছে : ম্যাকডোনাল্ডসের খাবার, ইংল্যান্ডের মার্স চকলেট, পেপসি কার্লসবার্গ বিয়ার, নাইকো জুতো, অ্যাডিডাস জুতো ও ফুটবল।

লেখক: সরকারের সাবেক কর্মকর্তা ও কলামিস্ট

momen98765@gmail.com