'বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভেতরে তাণ্ডবের দৃশ্য দেখেছি' মন্তব্য করে দলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ইমরান সালে প্রিন্স বলেন, 'এ জন্য সরকার দায়ী।' রবিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রিন্স বলেন, নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যে তাণ্ডবলীলা চালানো হয়েছে এটা দেখে আমরা হতভম্ব। একটি সভ্য দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। যে দল দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, দেশের মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য লড়াই করছে, সংগ্রাম করছে। সেই দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, প্রতিটি অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের দপ্তর লণ্ডভণ্ড করে ফেলেছে।
তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশ সরকার যেভাবে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে ঠিক একইভাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই লণ্ডভণ্ড করার কাজে যারা নিয়োজিত ছিল তাদের দোষী সাব্যস্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
প্রিন্স বলেন, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ সমস্ত নেতাদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে যে মামলা দেওয়া হয়েছে সেই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের দপ্তরের কম্পিউটার ছাড়াও সদস্যদের মাসিক চাঁদার টাকা রাখার আলমারি ভেঙে সবকিছু নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। প্রিন্স বলেন, 'সরকার ভীত হয়ে আমাদের ঢাকা বিভাগীয় গণ সমাবেশকে নস্যাৎ করার জন্য এই তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে। কিন্তু দেশের জনগণ এত প্রতিবন্ধকতার পরেও গণসমাবেশ সফল করার মধ্য দিয়ে এই সরকারকে চপেটাঘাত করেছে।'
'পল্টনের সমাবেশ করতে না পারায় বিএনপির পরাজয় হয়েছে'- আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যে জবাবে তিনি বলেন, এটা বিএনপির পরাজয় নয় সরকারের পরাজয় হয়েছে।