ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ২০২৩-২০২৫ এর নির্বাচনে ১৮ হাজার ৪০০ জন ভোটারের মধ্যে ৭ হাজার ৪০০ জন ভোটার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মল্লিক-খন্দকার মাঈনুর রহমান প্যানেল।
গতকাল সোমবার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ রাজশাহীতে অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে আইডিইবি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্ন তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী খন্দকার মাঈনুর রহমান বলেন, ‘গত ১১ ডিসেম্বর রাজশাহীতে মল্লিক-মাঈনুর প্যানেলের নির্বাচনী প্রচারণা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কিছু লোক অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের একাধিক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন এবং একজন মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আইডিইবি’র ৬৪টি প্রশাসনিক জেলা ও ৭টি সাংগঠনিক জেলা সহ ৭১টি জেলার মোট ভোটার ১৮ হাজার ৪০০ এর মধ্যে মাত্র ১১ হাজার ভোটারের মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে। বাকি ৭ হাজার ৪০০ ভোটারের নম্বর আমাদের প্রদান করা হয়নি। মোবাইল নম্বর ব্যতীত বিভিন্ন জেলায় ভোটার কি তাহলে শুধুই নামসর্বস্ব? অথচ অনেক সদস্যের চাঁদা পরিশোধ থাকা সত্ত্বেও তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ০৪.০৫ এর পরিপন্থী।’
খন্দকার মাঈনুর রহমান আরও বলেন, ‘আইডিইবি’র সংবিধানের ১১.০৪.০২ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে ১৬০/এ, কাকরাইল এর ঠিকানায় ঢাকা জেলায় মেরিন ও শিপ বিল্ডিং এর শত শত ভোটার তালিকাভুক্ত করা হয়। এ বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একাধিকবার পত্র দেওয়া হয়। যা এখনো সমাধান করা হয়নি। এরূপভাবে আইডিইবি’র নির্বাচন কখনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে মল্লিক-মাঈনুর প্যানেল অতি দ্রুত পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও উক্ত সমস্যা নিরসন করে প্রয়োজনে পুনরায় ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় মল্লিক-মাঈনুর প্যানেল প্রার্থী ও সমর্থিত ডিপ্লোমা প্রকৌশলীবৃন্দ ভবন ঘেরাওসহ শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। সমস্যা সমাধানে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আরও কঠিন কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।