জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে উঠতে বাধা দেওয়ায় সিনিয়র এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে জাবি ছাত্রলীগের চার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে।
শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে ইতিহাস বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের সময় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চারজনকে অভিযুক্ত করে প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন: সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শাহরিয়ার শুভ এবং একই বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের ইমাম মাহমুদ রিসান, শরিফুল ইসলাম সোহান ও মৃন্ময় দাস।
এদের মধ্যে শুভ শাখা ছাত্রলীগের উপ-তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক, মৃন্ময় সহ-সম্পাদক, সোহান নির্বাহী সদস্য এবং রিসান ছাত্রলীগের কর্মী।
ভুক্তভোগী মামুনুর রশীদ ইতিহাস বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি ওই অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সোয়া ১০টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে ব্যান্ডদল আর্টসেল সংগীত পরিবেশন শেষ করে মুক্তমঞ্চ থেকে নামছিল। তখন অভিযুক্ত চারজন মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করলে মামুন বাধা দেন। এ সময় রিসান উত্তেজিত হয়ে মামুনের বুকে আঘাত করেন। মঞ্চের অন্য স্বেচ্ছাসেবকরা তখন এগিয়ে এসে প্রতিবাদ জানালে রিসানের সঙ্গে শুভ, সোহান এবং মৃন্ময় মিলে মামুনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করে।
মামুন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অনুষ্ঠান শেষে সাউন্ড সিস্টেমের লোকেরা মঞ্চে ছিল। তাদের অনেক যন্ত্রপাতি ছিল। মঞ্চে কেউ উঠলে সাউন্ড সিস্টেমের লোকেদের সমস্যা হচ্ছিল বলেই আমি তাদেরকে সেখানে উঠতে নিষেধ করেছিলাম। অথচ আমাকে মারধর করা হলো।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মারধর ও লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযোগপত্র পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’