আইইডিসিআর

দেশে ওমিক্রনের নতুন উপধরন পাওয়া যায়নি

বাংলাদেশে আসা চীন ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের করোনা সন্দেহভাজন যাত্রীদের নিজ খরচ ও ব্যবস্থাপনায় কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সচিব বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন করোনার নতুন উপধরন বিএফ.৭ ছড়িয়েছে। এমন অবস্থায় বিদেশ থেকে আসা সন্দেহভাজন যাত্রীদের স্ক্রিনিং জোরদার করা হয়েছে। যেসব দেশ থেকে সন্দেহজনক যাত্রী পাওয়া যাবে, তাদের নিজ খরচে সেলফ (নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়) কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে। এর জন্য শিগগির হোটেল নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

করোনা চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রস্তুতি আছে জানিয়ে স্বাস্থ্যসচিব বলেন, করোনার জন্য নির্ধারিত হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে মহাখালীর কভিড হাসপাতালে চীনের চার নাগরিককে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অবশ্য বাংলাদেশে এখনো করোনাভাইরাসের নতুন উপধরন বিএফ.৭ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

একই অনুষ্ঠানে আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এখনো করোনার নতুন উপধরন বিএফ.৭ এর উপস্থিতি পাইনি। চীন থেকে আসা কভিড পজিটিভ চারজনের জিনোম সিকোয়েন্সের ফল চলতি সপ্তাহ কিংবা আগামী সপ্তাহের শুরুর দিন মিলতে পারে। সারাদেশ থেকে যারাই কভিড পজিটিভ হোক, তাদের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্স করার জন্য আইইডিসিআরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এর আগে সোমবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন চীনের চার নাগরিক। সেখানে তাদের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট পজিটিভ পাওয়া যায়। পরে তাদের তাদের মহাখালীর ডিএনসিসি কভিড হাসপাতালের আইসোলেশনে পাঠানো হয়।