বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেট্রোরেল উদ্বোধন করার পর বৃহস্পতিবার তা খুলে দেওয়া হয় জনসাধারণের জন্য। এ দিন মেট্রোরেলে চড়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরাও।
মেট্রোরেলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কাওসার আহম্মেদ বলেন, ‘নিজ হাতে বানিয়ে সেই মেট্রোরেলে প্রথম দিনে নিজ হাতে টিকিট কেটে উঠেছি। মজাই আলাদা। এ অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না। সারা জীবন বলে যেতে পারব এই মেট্রোরেল বানানোর সময় আমি ছিলাম’।
যাদের হাতে তৈরি এই মেগা প্রজেক্ট সেই মেট্রোরেলে প্রথম দিনে যাত্রী হয়েছেন কাওসারসহ এমন অন্তত ৫০ জন। সবাই ইতালিয়ান-থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির কর্মী।
কোম্পানির ওয়্যার হাউসের স্টোর ডেটা বিভাগে কর্মরত রকিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, আজ আমরা মহাখুশি। আমরাই এটা নির্মাণ করছি, আবার আজ প্রথম দিনে আমরাই যাত্রী। এই অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না।
ডিএমটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, সময়ের জন্য অনেকে ট্রেন চড়তে পারেনি। আগামীকাল (শুক্রবার) যেন কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি না থাকে সে দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
সূত্র জানায়, আগের ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উত্তরা-আগারগাঁও স্টেশনে ট্রেন চলাচল করেছে। দশ মিনিট পরপর এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ট্রেন ছেড়ে গেছে। আর এই সময়ে ৩ হাজার ৮৫৭ যাত্রী ভ্রমণ করেছেন।