১ জানুয়ারির পরেও রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে, তবে ...

১ জানুয়ারির পরেও রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে নিয়মিত করের সঙ্গে আরও ২ শতাংশ হারে জরিমানা যোগ হবে। তবে নিয়মিত সময়ের পরে জরিমানা ছাড়াও রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে হবে। আবেদনে কেন রিটার্ন জমা দিতে পারেননি, এর যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করতে হবে। কমিশনারের কাছে আবেদন গ্রহণযোগ্য হলেই কেবল জরিমানা ছাড়া রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবে করদাতা।

কর দাতাদের অধিকাংশ আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪এর ৮২বিবি ধারা অনুযায়ী সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে আয়কর রিটার্ণ দাখিল করে। কিন্তু আয়কর রিটার্ন ফরম জটিল হওয়ায় অধিকাংশ করদাতা নিজেই নিজের রিটার্ন ফরম পূরণে সক্ষম হয়না। করদাতা নিজস্ব আইজীবির সহায়তায় রিটার্ন ফরম পূরণ করে জমা দিয়ে থাকে। এবারে করদাতাদের অন লাইনে রিটার্ন ফরম জমায় উৎসাহিত করতে রিটার্ন ফরম সহজ এবং ছোট করা হয়েছে। করদাতাদের জন্য অনলাইনে নতুন আয়কর রিটার্ন ফাইলিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

করদাতারা এনবিআর-এর ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে ব্রাউজ করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবে। ২০১৬--২০২০ করবর্ষে গত পাঁচ অর্থবছরে ২১ হাজার ১০৪ জন করদাতা অনলাইনে তাদের আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছে। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দাখিল করা ২২ লাখ রিটার্নের মধ্যে ৭ হাজার ২০৯ জন করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছে। শতকরা হিসাবে যা মাত্র ০.৩৩ ভাগ।

অনলাইনে রিটার্ন জমার হার বেড়েছে। তবে খুব বেশি নয়। অন লাইনে করদাতারা রিটার্ন জমার সঙ্গে সঙ্গে আয়কর সনদ ও রিটার্ন দাখিলের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র অনলাইনেই পাবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে নিবন্ধিত মোবাইল ফোন, ল্যপটপ ও যে কোন ধরনের কম্পিাউটার থেকেও এনবিআরের ওয়েবসাইটে গিয়ে করদাতারা রিটার্ন জমা দিতে পারবে। বাংলাদেশে ইটিআইএনধারী করদাতার সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়েছে।