ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই কিশোরী বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের রানিয়ারা গ্রামের নুরুল হক (২৫) ও সাগর মিয়া (২৫)। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার অন্য দুই আসামি হলোএকই গ্রামের মো. টিটু মিয়া (২৪) ও মাইজখার গ্রামের দীপু মিয়া (২০)।
মামলার এজহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের বাসিন্দা ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে মাইজখার গ্রামের দীপু মিয়ার পরিচয় হয়। গত বছরের তিন অক্টোবর দীপু মিয়া ওই কিশোরীকে রানিয়ারা গ্রামের একটি বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় রানিয়ারা গ্রামের নুরুল হক ও সাগর মিয়াও ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ নিয়ে দীপু মিয়া, নুরুল হক ও সাগর মিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
ঘটনার মীমাংসা করে দেওয়ার জন্য টিটু মিয়া নামে এক ব্যক্তি ওই কিশোরীকে গত বছরের ১০ অক্টোবর বিকেলে আবারও ডেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে টিটু মিয়া, নুরুল হক ও সাগর মিয়া পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়। এক পর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তার বাড়ির পাশে ফেলে রেখে চলে যায় তারা।