ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। নতুন করে আজ আরেক দফা গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে দৈনিন্দিন ব্যয়ের পাশাপাশি জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকার বলছে, ভর্তুকি সমন্বয় ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের ভুলনীতি ও কিছু গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এই সংকট তৈরি হয়েছে। যার মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সরকার আন্তরিক হলে দাম না বাড়িয়েও আরও অনেক বিকল্প পথ খোলা ছিল।
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির যুক্তি দেখিয়ে গত বছরের আগস্টে সরকার অস্বাভাবিকহারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে। ওই সময় ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৮০ টাকা বাড়িয়ে এক লাফে ১১৪ টাকা, পেট্রল ৮৬ টাকা থেকে ১৩০ টাকা এবং অকটেনের দাম ৮৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে কয়েকদিনের মাথায় লিটারপ্রতি দাম ৫ টাকা কমিয়ে যথাক্রমে ১০৯ টাকা, ১২৫ টাকা এবং ১৩০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। পরবর্তীতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কয়েক দফা কমলেও দেশের বাজারে দাম আর কমেনি।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে নাভিশ্বাস উঠছে নাগরিকদের। আর এ বিষয় নিয়েই দায়িত্বশীলদের দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রধান প্রতিবেদন পড়ুন...আগামীকাল।