দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আজ মঙ্গলবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সংবিধান অনুযায়ী দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। আর সেজন্য ফেব্রুয়ারির ১৯ বা ২০ তারিখে ভোটগ্রহণের তারিখ চূড়ান্ত করে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। আজকের বৈঠকের পরে তফসিল ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হবে। ৪ বা ৫ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে সংসদ সচিবালয় ও ইসি সূত্র জানিয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ করার বিধান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। তফসিল ঘোষণাসহ এ নির্বাচন পরিচালনা করে থাকে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনী কর্মকর্তার সামনে নির্ধারিত ব্যালট পেপারে পছন্দের প্রার্থীর নাম ও নিজের স্বাক্ষর দিয়ে জমা দিতে হবে। এর মুরি অংশে স্বাক্ষর দিয়ে ভোটারদের ব্যালট পেপার সংগ্রহ করতে হবে। সংসদ সদস্যরা ভোট দেওয়ার পর সংসদ কক্ষে স্থাপিত এক বা একাধিক বাক্সে তা জমা দেবেন। একজন সদস্য একটাই ভোট দিতে পারবেন। স্পিকারও এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। ভোটের দিন গ্যালারিসহ সংসদ কক্ষে প্রার্থী, ভোট নিতে সহায়তাকারী কর্মকর্তা ছাড়া বাকিদের প্রবেশ অধিকার ঠিক করবেন নির্বাচনী কর্মকর্তা। ভোট শেষে নির্বাচন কমিশনার প্রকাশ্যে ভোটের ফল ঘোষণা করবেন। সর্বাধিক সংখ্যক ভোট পাবেন যে প্রার্থী তিনিই রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ পাবেন। আর সমান ভোট পেলে প্রার্থীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। আর প্রার্থী যদি একজন হয়ে থাকেন তাহলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।