এশিয়া কাপ নিয়ে এসিসির জরুরি সভা বাহরাইনে

এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত। এমন ঘোষণা প্রকাশ্যেই দিয়েছে বিসিসিআই। পাল্টা জবাবে পিসিবি বলেছে, এশিয়া কাপে না এলে বছরের শেষে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে পাঠানো হবে না বাবর আজমদের। এতে বছরের শেষদিকে রোহিত শর্মাদের দেশের বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা না থাকলেও এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ৯২ এর বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দেশে আয়োজন নিয়ে জেগেছে সংশয়।

দুই বোর্ডের বিপরীত অবস্থানের কারণে জরুরি সভা ডেকেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বাহরাইনে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন পিসিবি চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি।

এ বছরের শুরুতে এসিসি প্রেসিডেন্ট জয় শাহ এশিয়ান ক্রিকেটের আগামী দুই বছরের সূচি প্রকাশ করেন। এই সূচিকে ‘একতরফা’ বলে আখ্যা দেয় পিসিবি। গতকাল সোমবার লাহোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পিসিবি প্রধান বলেন, ‘কিছুদিন ধরে এসিসি বোর্ডের বৈঠক হচ্ছে না। এর মধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার একটিকে আমরা চ্যালেঞ্জ করেছি। ভালো খবর হচ্ছে, একটি বৈঠকের বিষয়ে তাদের রাজি করানো গেছে। আমি সেই বৈঠকে থাকব।’

ভারত সরকারের অনাগ্রহের কারণে দেড় দশক ধরে পাকিস্তানে খেলতে যায়নি ভারত। এক দশক ধরে বন্ধ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সিরিজও। ভারত-পাকিস্তানের মাঠের দেখা যা হয়, বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ বা চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।

ভারতে বিশ্বকাপ, পাকিস্তানে এশিয়া কাপ-২০২৩ সালের ক্রিকেট সূচিতে দুটি বড় টুর্নামেন্ট রাখা হয়েছিল এভাবেই। পূর্বের সূচি অনুসারে ওয়ানডে সংস্করণের ২০২৩ এশিয়া কাপ হওয়ার কথা পাকিস্তানে।

এবার এশিয়া কাপ খেলতে ভারত পাকিস্তানে না এলে পিসিবি আবারও আক্রমণত্মক পথে হাটবে কি না প্রশ্নে শেঠি বলেন, ‘দেখা যাক, কী করা যায়। তবে আবার মামলা করতে চাই না। তবে এটাও বলব, আগের মামলা যথাযথ পরিচালনা করা হয়নি। বিচারকেরা কিন্তু বলেছিলেন, এই মামলা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখলে পাকিস্তানের পক্ষে যায়। কিন্তু টেলিস্কোপ দিয়ে দেখলে ভারতের পক্ষে। মোট কথা, এটা পাকিস্তানের পক্ষেই ছিল। কিন্তু তারা ভারত সরকারের কথা বলে বেঁচে যায়।’