গাউসুল আজম জামে মসজিদ কমপ্লেক্স

ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের প্রদত্ত অর্থে ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ মসজিদে গাউসুল আজম আবদুল কাদের জিলানি (রহ.) কমপ্লেক্স নির্মিত হয়। মসজিদের জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ৮.৫ একর জমি বরাদ্দ দেন। মসজিদটি বড় পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানি (রহ.)-এর বাগদাদে তার মাজারসংলগ্ন মসজিদের অনুকরণে লাল ইট দ্বারা অত্যাধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। মসজিদটি রাজধানীর মহাখালী বক্ষব্যাধি হাসপাতাল থেকে ৫০ গজ পূর্বপাশে অবস্থিত। এখানে একত্রে দুই হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। এ মসজিদে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের নামাজ আদায়ের পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে।

মসজিদ কমপ্লেক্সটি আট বিঘা জমির ওপর নির্মিত এবং একতলা বিশিষ্ট। মসজিদে প্রবেশের জন্য রয়েছে চারটি দরজা এবং অসংখ্য জানালা। রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মিনার এবং দুটি গম্বুজ। রয়েছে সুপ্রশস্ত ওজুখানা। মসজিদসংলগ্ন উত্তরপাশে একটি ফুলের বাগান রয়েছে। পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দিকে রয়েছে ৯ ধাপবিশিষ্ট তিনটি সিঁড়ি। দৃষ্টিনন্দন মসজিদের চারদিকে খোলামেলা প্রকৃতিক সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর। মসজিদের মূল ফটকের দুই পাশে রয়েছে বড় পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানি (রহ.) মাজার থেকে সংগৃহীত দুটি গেলাফ।

সাধারণ দর্শনার্থী কিংবা পর্যটকরা নামাজের সময় ছাড়া অন্য যেকোনো সময় মসজিদ কমপ্লেক্সের ভেতর প্রবেশ করতে পারেন। মসজিদ পরিচালনা কমিটির নিজস্ব গাইড রয়েছে। তারা মসজিদসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পর্যটক বা দর্শনার্থীদের সহযোগিতা করে থাকেন। মহিলা দর্শনার্থীদের মসজিদে প্রবেশ করতে মাথায় কাপড় এবং শালীন পোশাক পরিধান করতে হয়।