নাব্য সংকটের কারণে লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল হুমকির মুখে পড়েছে। লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীর রহমতখালী চ্যানেলে প্রায়ই ডুবোচরে আটকা পড়ছে ফেরি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে জোয়ার এলে পরে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যাত্রীরা যেমন ভোগান্তিতে পড়ছেন, তেমনি কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন পচনশীল পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতি শিগগিরই ড্রেজিং না করলে যেকোনো সময় ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
লক্ষ্মীপুর-ভোলা রুটে বিআইডব্লিউটিসির ফেরি কনকচাঁপার মাস্টার কামাল হোসেন বলেন, এ রুটের ‘কে’ টাইপের ফেরিগুলো চলাচল করতে ৮ থেকে ১০ ফুট পানির দরকার হলেও ভাটার সময় প্রবেশপথগুলোতে ৫ থেকে ৬ ফুটের বেশি পানি থাকে না। এতে ফেরি ও লঞ্চ মাস্টারদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এ কারণে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে এ রুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল করছে। যেতে হচ্ছে অনেক পথ ঘুরে। আগে আড়াই ঘণ্টায় লক্ষ্মীপুর থেকে ফেরিতে ভোলা যাওয়া যেত, কিন্তু এখন সময় লাগছে সাড়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা।
ফেরি কিষাণীর মাস্টার আতিক বলেন, ‘ডুবোচরের কারণে ফেরি চলাচলে প্রতিদিনই সমস্যা হচ্ছে। গত রবিবার দুটি ফেরি তিন ঘণ্টা আটকে ছিল।’
বিআইডাব্লিউটিএ নদী খনন কর্মকর্তা মো. মাহমুদ বলেন, ‘মেঘনায় ডুবোচরে চারটি ড্রেজিং মেশিন রয়েছে। তবে দুটি নষ্ট। বাকি দুটির একটি দিয়ে খননকাজ চলছে।
লক্ষ্মীপুরে দায়িত্বরত বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক কাউছার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। রহমতখালী চ্যানেলের ৬ থেকে ৭শ মিটার জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং করা দরকার।’