শেষ মুহূর্তে ডরিয়েলটনের গোলে জয় কিংসের

বসুন্ধরা কিংসের মৌসুমটা কাটছে স্বপ্নের মতো। শুক্রবার ডরিয়েলটন গোমেজের শেষ মুহূর্তের লক্ষ্যভেদে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অস্টম জয় পেয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

লিগ, স্বাধীনতা কাপ, ফেডারেশন কাপ মিলিয়ে এই মৌসুমে খেলা ১৬ ম্যাচে শতভাগ জয়ের রেকর্ড কিংসের। অথচ কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে কালকের বিকেলটা হতে পারতো স্বাগতিক মোহামেডানের ঘুড়ে দাঁড়ানোর দিন। লিগের প্রথম ম্যাচে জয়ের পর থেকেই ধুকছে সাদা-কালোরা। কাল শীর্ষে থাকা কিংসকে রুখে দিলে আগামীতে ভাল করার একটা অনুপ্রেরণা অন্তত পেতে পেরতো মোহামেডান।

ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে বাইসাইকেল কিকের একটা প্রচেষ্টা ছিল দারুন ছন্দে থাকা স্ট্রাইকার ডরিয়েলটনের। তবে তার প্রচেষ্টা ফিরেছে ক্রসবার কাঁপিয়ে। এরপর থেকেই কিংস যেন নিজেদের ছায়া হয়ে খেলেছে। ছিল না আক্রমনের ধার। মোহামেডান বরং রক্ষণ জমাট রেখে চেষ্টা করেছে আক্রমণ গড়ার। কিংসের সামনে বুক চিতিয়ে খেলেছে মোহামেডানের রক্ষণভাগ।

শেষ মুহূর্তের অসতর্কতার চড়া মাশুল দেয়ার আগ পর্যন্ত শফিকুল ইসলাম মানিকের শীষ্যরা পাবেন দশে-দশ। বিশেষ করে বিরতির পর মোহামেডান খেলেছে আক্রমনাত্মক ফুটবল। যার নেতৃত্বে ছিলেন ভেনিজুয়েলার ফরোয়ার্ড দানিয়েল ফেবলস। তার দু'বারের প্রচেষ্টা অবশ্য ব্যর্থ হয়। ধারার বিপরীতে খেলা কিংস অবশ্য হাল ছাড়েনি। প্রথম কোন ম্যাচে জয়শূন্য থাকার শঙ্কায় কীনা শেষ মুহূর্তে জ্বলে উঠেন ডরিয়েলটন।

রবিনহোর কর্নারে চতুর এই স্ট্রাইকারকে লক্ষ্যভেদী হেড নেয়া থেকে বিরত রাখতে পারেনি মোহামেডানের ডিফেন্ডাররা। এই গোলকে ঘিড়ে নিরুত্তার ম্যাচের শেষ হয়েছে অন্যরকম উত্তাপে। কিংসের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর বায়েজিদ জোবায়ের নিপুকে দেখতে হয় লালকার্ড। স্বস্থির জয়ে কিংসের অস্বস্থি হয়ে রইলো অতটুকুই।

আট ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা বসুন্ধরা কিংস এক ম্যাচ কম খেলা আবাহনীর সঙ্গে ব্যবধানটা বাড়িয়ে নিয়েছে ৯ পয়েন্টে। আজ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে হারাতে না পারলে আবাহনীর ভোগান্তি বাড়বে আরও। চির বৈরী আবাহনীর কাছেই আগের ম্যাচে হারা মোহামেডান ৭ ম্যাচ থেকে সংগ্রহ করেছে মাত্র ৬ পয়েন্ট। ১১ দলের লিগে তাদের অবস্থান আটে।