বলেছেন জাভেদ মিয়াঁদাদ

‘পাকিস্তানে না এলে ভারত নরকে যাক’

আরব আমিরাত না পাকিস্তান! নাকি কাতার! কোন দেশ হচ্ছে এশিয়া কাপের আয়োজক। তা নিয়ে বিতর্ক চলছেই। বাহরাইনে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাও ফলপ্রসু হয়নি। ভারত পাকিস্তানে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় দুই দেশের মধ্যেই চলছে তর্ক-বিতর্ক। সেই বিতর্কের আগুনে এবার ঘি ঢাললেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তী ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ।

পাকিস্তানে খেলতে না এলে ভারত জাহান্নামে যাক বলে মন্তব্য করেছেন জাভেদ। পাকিস্তানের টিকে থাকার জন্য ভারতের প্রয়োজন নেই বলেও বিস্ফোরক কথা বলেন তিনি।

ইউটিউবে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম এই সদস্য বলেছেন, ‘ভারত যদি পাকিস্তানে খেলতে না আসে, তাহলে তারা জাহান্নামে যাক। টিকে থাকার জন্য পাকিস্তানের কোনো প্রয়োজন নেই ভারতকে।’

এ ধরনের বিতর্ক নিরসনে আইসিসির ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি হতে পারে বলে মনে করেন মিয়াঁদাদ। ইউটিউবে পোস্ট করা সেই ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি সব সময়ই বলে এসেছি, ভারত যদি না আসে, তাহলে করার কিছু নেই। আমরা আমাদের খেলা চালিয়ে যাব। আইসিসির দায়িত্ব এই ব্যাপারগুলো নিয়ন্ত্রণ করা। না হলে ক্রিকেটের কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার কী প্রয়োজন থাকতে পারে।’

সব সদস্য দেশের জন্যই আইসিসির একটাই আইন থাকা উচিত বলে মনে করেন মিয়াঁদাদ, ‘কোনো দল যদি কোথাও খেলতে যেতে না চায়, তাহলে যত শক্তিধর ও ক্ষমতাশালী দেশই সেটি হোক না কেন, আইসিসির উচিত তাদের নিষিদ্ধ করা।’

ভারত পাকিস্তানের মাটিতে হেরে যাওয়ার ভয়েই পাকিস্তানে আসতে চায় না বলে মনে করেন মিয়াঁদাদ, ‘তারা কেন পাকিস্তানে আসবে না? তাদের আসা উচিত। আসলে তারা পাকিস্তানের মাটিতে নিজেদের পরিণতি নিয়ে চিন্তিত।’

মিয়াঁদাদ মনে করেন ভারতের এই আতঙ্কের মূল কারণ নিজেদের দেশের দর্শক, ‘ভারতের দর্শক নিজেদের দেশের হার মেনে নিতে পারে না। তারা সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। ভারত মনে করে পাকিস্তান সফরে গিয়ে যদি তারা হারে, তাহলে ভারতীয় জনগণ তাদের ছাড়বে না। নরেন্দ্র মোদিও হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে।’

ভারত যেন পৃথিবীর কোনো জায়গাতেই খেলার ব্যাপারে আপত্তি জানাতে না পারে, সে ব্যাপারে মিয়াঁদাদ আইসিসির হস্তক্ষেপ চান, ‘আমি চাই এসব ব্যাপারে আইসিসি ব্যবস্থা নিক। যে দেশই হোক, তারা যদি কোথাও খেলার ব্যাপারে আপত্তি জানায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই দলকে প্রয়োজনে নিষিদ্ধ করতে হবে।’