ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সুবিধা দেখে সন্তুষ্ট রাষ্ট্রদূতরা

বাংলাদেশে নিযুক্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূত গত শুক্রবার নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচরে বসবাসরত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) সুযোগ-সুবিধা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গতকাল শনিবার এ তথ্য জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা বাংলাদেশ সরকারের অনুকরণীয় মানবিক পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং গতকাল বিকেলে প্রতিনিধিদলটি ঢাকায় ফিরে আসে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়ার নেতৃত্বে চার দূত ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিসহ ১৬ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সশরীরে রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে বঙ্গোপসাগরের ভাসানচর দ্বীপ পরিদর্শন করে।

প্রতিনিধিদলে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুই, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হেরু হারতান্তো সুবোলো, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইস, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের প্রতিনিধি ড. জোহানেস ভ্যান ডার ক্লাউ এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিমোন পার্চমেন্ট ছিলেন।

এ ছাড়াও সফরকারী দলের সদস্য ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, অর্থ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং পিএমওর মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী।

দ্বীপের অগ্রগতি এবং সেখানে বসবাসকারী প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গাকে সহায়তার বিষয়ে আলোচনার জন্য ভাসানচর সফরের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইস টুইট করে জানান, মানবিক অর্থায়নের চ্যালেঞ্জের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রদায়ের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা একটি বিশেষ অগ্রাধিকার।