চন্ডিকা হাথুরুসিংহের হাত ধরে বাংলাদেশ বদলে গিয়েছিল। ঘরের মাঠে তারা হয়ে উঠেছিল অপ্রতিরোধ্য এক দল। বিশেষ করে লাল বলের ক্রিকেটে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল টাইগাররা। দেশের মাটিতে তারা হারায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মতো দলকে। সেটা অবশ্য ঘরের মাঠে ‘স্পিন উইকেট’ এর সুবিধা নিয়ে। যদিও রাসেল ডোমিঙ্গো কোচ হয়ে আসার পর সে নীতি থেকে সরে আসে বিসিবি। জোর দেয় ভালো উইকেটে খেলার দিকে।
তবে বাংলাদেশের কোচ হয়ে দ্বিতীয়বার হাথুরুসিংহের ফিরে আসাতে কেমন উইকেটে নজর দেওয়া হবে, এমন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আজ তার প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই ঘোষণা দিলেন, ঘরের মাঠে নিজেদের শক্তির জায়গার কথা মাথায় রেখেই খেলবে বাংলাদেশ।
ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজ দিয়েই শুরু হচ্ছে হাথুরুসিংহের দ্বিতীয় অধ্যায়। সেখানে কেমন ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ, এমন প্রশ্নের উত্তরে শ্রীলঙ্কান কোচ ফিরতি প্রশ্ন করেন, ‘ঘরের মাঠের সুবিধা বলে কী বোঝায়? যখন আমরা নিউজিল্যান্ডে যাই, কী ধরনের উইকেটে খেলি? ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া কী করে তাদের ঘরের মাঠে? ভারত এখন ঘরের মাঠে কী করছে?’
হাথুরুসিংহে আরও যোগ করেন, ‘দেশের বাইরে গেলে আমাদের যা আছে, তা দিয়েই ম্যানেজ করতে হবে। যদি মিসাইল না থাকে, তাহলে তুমি কীভাবে লড়াই করবে। আমাদের তো গেরিলা যুদ্ধ করতে হবে, তাই না? ওদের আমাদের ঘরে আসতে দাও, আমরা ছোট্ট ছোট্ট অস্ত্র দিয়ে লড়ব। যদি আমাদের অস্ত্র না থাকে, তাহলে তো আমরা কিছু করতে পারব না। আমরা শুধু খেলোয়াড়দের গড়ে তুলতে পারি।’
বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশে সাফল্য পাওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন হাথুরুসিংহে, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় ওরা ভালো করেছে। নিউজিল্যান্ডে ওরা ভালো করেছে। আমরা একটু আগে আলোচনা করলাম ফাস্ট বোলারদের নিয়ে, যারা উঠে আসছে। ইবাদতের কথা মনে আছে। আমার প্রথম নিউজিল্যান্ড সফরে সে ছিল ডেভেলপমেন্ট প্লেয়ার, শান্তও। এখন ওরাই ভালো করছে। সুতরাং এটা করতে সময় লাগে। সব দেশই তা–ই করে। আমাদের ঘরের মাঠের সুবিধা নিতে হবে। আমাদের নিজেদের শক্তি অনুযায়ী খেলতে হবে।’