জনপ্রিয় হচ্ছে সবুজায়ন

চট্টগ্রামে আবাসন খাতে গড়ে ওঠা ভবনের নকশায় সবুজ সংযোজনের মডেল বিবেচনা করা হয় র‌্যাংকস এফসি প্রপার্টিজকে। এই প্রতিষ্ঠানের সব ভবনে সামনের অংশে সবুজের সমারোহ। আবাসনশিল্পে এমন নতুনত্ব নিয়ে দেশ রূপান্তর কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানভীর শাহরিয়ার রিমনের সঙ্গে।

দেশ রূপান্তর : আপনাদের সব প্রকল্পের নকশায় সবুজ রয়েছে। এমনকি ভবনের উলম্ব নকশাও সবুজের। এই ধারণা যোগ করার কারণ কী?

তানভীর শাহরিয়ার রিমন : আমাদের সব প্রকল্পেই একটা কমন নকশা রয়েছে। সবুজকে প্রাধান্য দিয়ে এই নকশা করা হয়। মূলত ২০১৬ থেকে আমাদের প্রকল্পগুলোর নকশায় সবুজ যুক্ত করা হয়ে আসছে। এতে নগরের পরিবেশে সবুজের আধিক্য যেমন বাড়ে, তেমনি ভবনটির তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় দুই থেকে তিন ডিগ্রি কম অনুভূত হয়। আমাদের নিজস্ব স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান এসব নকশা করে থাকে। শুধু সবুজই নয়, বাতাসের দিক এবং সানবাথ ডায়াগ্রাম এঁকে ভবনের ডিজাইন করা হয়। আর এতে ভবনের কক্ষগুলো প্রাকৃতিক আলো-বাতাস সমৃদ্ধ থাকে।

দেশ রূপান্তর : সবুজায়ন কি আপনাদের ব্যবসা প্রসারে সহায়ক হয়েছে?

তানভীর শাহরিয়ার রিমন : আমরা শুধু ব্যবসার জন্য ভবনের নকশা করি না। দেশ ও পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমরা কাজ করি। সরকার এখন টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নে কাজ করছে। আর এসডিজির ১১ নম্বর ধারায় রয়েছে সাসটেইনেবল গ্রিন সিটি (টেকসই সবুজ নগর)। তাই আমরা ভবন নির্মাণে মৌসুমকে ব্যবহার করে গ্রিন বিল্ডিং নিয়ে কাজ করছি। আমরা যদি আমাদের ভবনগুলোতে সবুজের পরিমাণ বাড়াতে পারি তাহলে নগরের পরিবেশে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে এই সবুজ যুক্ত করায় আমাদের প্রকল্প মানুষ বেশি গ্রহণ করছেন।

দেশ রূপান্তর : মানুষ যে বেশি গ্রহণ করছেন তা কীভাবে বুঝলেন?

তানভীর শাহরিয়ার রিমন : আজ থেকে পাঁচ বছর আগের প্রকল্পের তুলনায় এখন প্রায় তিন গুণ প্রকল্প রয়েছে আমাদের। তাহলে বোঝা যাচ্ছে সবুজায়নের ধারণাটি মানুষ গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ের প্রতি আমাদের কমিটমেন্ট ক্রেতাদের আশ্বস্ত করেছে।