ম্যাজিস্ট্রেট সেজে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা

কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কখনো সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি), কখনো বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে ফেসবুকে নিজেকে উপস্থাপন করেন তিনি। এরপর টার্গেট করেন ধনাঢ্য পরিবারের মেডিকেল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় (বুয়েট) ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের। প্রথমে ফেসবুকে প্রেমের ফাঁদ পেতে নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে কৌশলে তাদের নগ্ন ভিডিও ও ছবি সংগ্রহ করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মেহেদী হাসান (৩২) নামের অভিযুক্ত এই যুবককে শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেছে পুলিশর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ ১৯ ফেব্রুয়ারি মেহেদীকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর তার অপকর্মের আরও তথ্য পেয়েছে ডিবি। তারা জানিয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ^বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর বাবা পল্টন থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের (ডিসি) মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ বলেন, সাত বছর ধরে শতাধিক নারীর সঙ্গে এ ধরনের অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন মেহেদী।