এবারও গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতিতে আসছে না বড় পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়। গত বছরের মতো চলতি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালগুলোর সমন্বয়ে হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা। গতকাল সোমবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে উপাচার্যদের সঙ্গে এ সংক্রান্ত বৈঠক হয়। শিক্ষামন্ত্রী উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একটি ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ভর্তির ব্যবস্থা চান বলে উপাচার্যদের জানিয়েছেন।
জানা যায়, সাধারণ ২২টি বিশ^বিদ্যালয়ের গুচ্ছের নাম দেওয়া হয়েছে জিএসটি (জেনারেল, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি)। প্রকৌশল গুচ্ছে ৩টি বিশ^বিদ্যালয় এবং কৃষি গুচ্ছের ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ও আলাদা গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে গত বছর।
সভায় জানানো হয়, আগামী মার্চ মাসের শেষদিকে গুচ্ছের অধীনে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চায় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে মার্চের প্রথম সপ্তাহে সভায় বসবে সংশ্লিষ্টরা। ফলে গুচ্ছ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা এবং শিক্ষকদের নানা অসন্তোষ থাকলেও শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে এবং গুচ্ছের চলমান নানা সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রেখে গুচ্ছের অধীনে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অব্যাহত রাখার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরুর পরিকল্পনা করেছে বলে সভায় জানানো হয়। এটি বাস্তবায়নের জন্য মার্চের শেষদিকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়া এপ্রিলের শেষদিকে অথবা মে মাসের শুরুর দিকে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
সভায় উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত দুই বছরের ভর্তি পরীক্ষায় দীর্ঘসূত্রিতা, ভর্তিতে কালক্ষেপণ, উপাচার্যদের সিদ্ধান্তহীনতা, ভর্তিতে নানা জটিলতা ও হয়রানিসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব কারণে গুচ্ছে না থাকার দাবি শিক্ষকরা জানিয়েছিলেন তা শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছেন সভায় থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধিরা।