রাজধানীতে গভীর রাতে অন্য রুটের গাড়িতে উঠতে মানা

যাত্রীদের রাত ১২টার পর রাজধানীতে নির্ধারিত রুটের গাড়ি ছাড়া অন্য রুটের গাড়িতে না ওঠার অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ‘ধরেন, কেউ গাবতলী থেকে যাবেন আসাদগেট, অথচ যে গাড়িতে উঠছেন তাতে যদি লেখা থাকে গাজীপুর, তাহলে বুঝতে হবে এ গাড়িটি এই রুটের না।’

গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অনুরোধ জানান তিনি।

আন্তঃজেলা ডাকাত দলের গ্রেপ্তাররা হলো ফখরুল কবির শান্ত, মো. মনির হোসেন, মো. ইমরান, মো. মুজাহিদ ওরফে বাবু, মো. রাজিব ওরফে আসিফ ও মো. সানি। গত শুক্রবার রাজধানীর মিরপুর-গাবতলী, সাভারের গেন্ডা-রাজপুরে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা-গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিম। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও লুট করা তিনটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টার দিকে রিসাত পরিবহনের একটি বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারদের মারধর করে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল। তাদের চোখ ও হাত কাপড় দিয়ে বেঁধে বাসের পেছনের সিটে ফেলে রাখে রাজধানীতে রাতভর ঘুরে ঘুরে যাত্রী তুলে ডাকাতি করেছে। গাবতলী-আসাদগেট-নিউ মার্কেট-আজিমপুর-যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর হয়ে একই পথে এসে আমিনবাজার-সাভার-চন্দ্রার বিভিন্ন স্থান থেকে একজন একজন করে যাত্রী তুলে মারধর করে তাদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়। পরে তাদের চোখ ও হাত বেঁধে বাসের পেছনে ফেলে রাখে। ডাকাত দল সারারাত ধরে ডাকাতি করে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে আহত যাত্রীসহ বাসটি সাভার থানার কবিরপুরে রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য সম্পর্কে ডিএমপির ডিবিপ্রধান বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক মামলা রয়েছে।