ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবির ঘটনায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থানা পুলিশের তিন সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অন্যদিকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার দায়ে একই থানার আরও দুই পুলিশ সদস্যকেও প্রত্যাহার করা হয়। তাদেরকে প্রত্যাহারের পর করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
শাস্তি প্রাপ্তরা হলেন, গজারিয়া থানায় দুই এএসআই সুমন সরকার ও আনিস,এবং তিন কনস্টেবল রকিবুল হাসান, রবিউল ইসলাম ও নাসির হোসেন।
মুন্সীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল হাসান বলেন, ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে এক দোকান মালিকের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করার ঘটনায় এএসআই সুমন সরকার ও তার দুই সহযোগী কনস্টেবলকে ক্লোজ করা হয়। এ ঘটনায় তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে এএসআই সুমনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে পৃথক একটি ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করায় এএসআই আনিস ও কনস্টেবল নাসির হোসেনকে ক্লোজ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার উপজেলার মধ্য বাউশিয়া এলাকায় শাকিল ফরজী নামে এক ব্যবসায়ীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ২লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোদ ওঠে গজারিয়া থানার এএসআই সুমন সরকারের বিরুদ্ধে।