সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রজ্ঞাপন স্থগিতের আবেদন খারিজ

মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। গতকাল মঙ্গলবার চেম্বার আদালতের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১৫ মার্চ বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত দুটি রিট আবেদন খারিজ করে আদেশ দেয়। পরে এ আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করেন একটি রিটের আইনজীবী এমএ আজিজ খান। আদালতে আবেদনের পক্ষে তিনি শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘হাইকোর্টের ওই আদেশ এবং ইসির প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেছেন চেম্বার আদালত। ফলে ইসির ওই প্রজ্ঞাপন নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না।’ এর আগে গত ১২ মার্চ এমএ আজিজের রিট আবেদনের শুনানিতে বিব্রতবোধ করে বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একক প্রার্থী ছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ আগামী ২৩ এপ্রিল শেষ হচ্ছে। শপথের পর মো. সাহাবুদ্দিনের ২৪ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে। রিট আবেদনের যুক্তিতে আইনজীবীরা বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন দুদকের কর্মকর্তা ছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৯ ধারা অনুযায়ী কর্মাবসানের পর কোনো কমিশনার প্রজাতন্ত্রের কোনো লাভজনক পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। অন্যদিকে সংবিধানে বলা আছে, অন্য কোনো আইনে যদি বারিত থাকে তাহলে নির্বাচন করতে পারবেন না। সে হিসেবে দুদকের আইনে তিনি (মো. সাহাবুদ্দিন) বারিত আছেন। এ ছাড়া দুদকের আইনের বিষয়ে সিইসির বক্তব্যকে ভুল এবং বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে আইনজীবী বলেন, ‘নির্বাচিত’ ও ‘নিয়োগ’ সমার্থক শব্দ।