পদ্মা সেতুর শিবচর প্রান্তে ইমাদ পরিবহনের বাস দুর্ঘটনায় ১৯ জনের প্রাণহানির ঘটনায় শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপি বলেছে, ‘বাসটির ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুট পারমিট ছিল না। এরপরও মহাসড়কে যাত্রী পরিবহন করার ফলে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য সরকারের সড়ক বিভাগ সম্পূর্ণ দায়ী। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সব দায় নিয়ে সেতুমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’ গতকাল মঙ্গলবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।
গত সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সরকারদলীয় আইনজীবী ও পুলিশ সম্মিলিতভাবে ন্যক্কারজনক হামলা, ভাঙচুর, গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা এবং ভোট ডাকাতি করেছে। আওয়ামী লীগ পুলিশকে বেআইনিভাবে ব্যবহার করে সুপ্রিম কোর্টের পবিত্রতা ক্ষুণœ করেছে। সভা মনে করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের এ আচরণ প্রমাণ করেছে যে, অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু ও অবাধ হতে পারে না।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।