ক্লান্তি ভুলে সেঞ্চুরি তামিমের

আগেরদিন আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশে নেতৃত্ব দিলেন। রাতেই ঢাকা ফিরে সকালে নেমে গেলেন প্রাইম ব্যাংকের জার্সিতে। পরপর দুটি ওয়ানডে খেলার ক্লান্তি ভুলে ওয়ানডে অধিনায়ক সেঞ্চুরিও পেয়ে গেলেন। তামিমের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে হারের বৃত্তেই আটকে থাকল মোহামেডান। প্রাইম ব্যাংকের কাছে এবার তারা ৭ উইকেটে হেরেছে। আগে ব্যাট করে ৪২ ওভারে মাত্র ১৯৯ রানে অলআউট হয় মোহামেডান। জবাবে ৪২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০২ রান করে প্রাইম। লিগে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে তিনটিতে হেরেছে মোহামেডান, একটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। এদিকে ১৫৬ বলে তামিমের ১০৯ রানে টানা চার ম্যাচ জিতল প্রাইম ব্যাংক। একই দিনে টানা চতুর্থ জয় তুলেছে শেখ জামাল ধানম-ি ও লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জও। বৃষ্টিতে বাধা পড়া দুই ম্যাচে শাইনপুকুরকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে রূপগঞ্জ। আর ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ১১ রানে হারিয়েছে শেখ জামালকে। সমান ৪ জয়ে তিন দলেরই পয়েন্ট ৮। ১.৮৬ রান রেটে শীর্ষে শেখ জামাল। ০.৯৭ রান রেটে দ্বিতীয় প্রাইম ব্যাংক ও ০.৪১ রান রেটে তৃতীয় লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।  

দিনে পূর্ণ হওয়া একমাত্র ম্যাচ হয়েছে ফতুল্লায়। তামিম-মুশফিকরা দলে যোগ দিয়েই ম্যাচ জেতালেন। মোহম্মদ মিঠুনকে (৩১) নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৭৩ রান যোগ করেন তামিম। পরে দ্রুত নাসির ও ইয়াসিরকে হারালেও মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে আর বিপদ হতে দেননি বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক। দুজনের ১১৯ রানের জুটিতে সহজ জয় পায় প্রাইম। ১৫৬ বলে ১২ চারে ক্যারিয়ারের ২২তম লিস্ট এ সেঞ্চুরিতে ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম।  

জয়রথ ছুটিয়ে চলা শেখ জামাল বিকেএসপি ৪ নম্বর মাঠে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২৮৭ রান তোলে। বৃষ্টিতে খেলা বাধা পড়ায় ব্রাদার্সের সামনে বদলি টার্গেট দাঁড়ায় ২৯ ওভারে ২০৭ রান। ২৭.৪ ওভারে ১৯৫ রানে অলআউট হয় তারা। শাইনপুকুরের অমিত হাসানের সেঞ্চুরি বৃথা যায় দল হারায়। অমিত ছাড়া সাজ্জাদুল হকের ৫৭ রানে কোনোরকমে ২০৭ করে অলআউট হয় শাইনপুকুর। এই ম্যাচেও বৃষ্টির বাধায় কার্টেল ওভারে যেতে হয়। রূপগঞ্জের সামনে পরিবর্তিত লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৬ ওভারে ১৬৮। ইরফান সুক্কুরের ৪৩ ও চিরাগ জানির ৪২ রানে ৩৪.৫ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে রূপগঞ্জ।