তিন দিনের ব্যবধানে আবরও জোড়া গোল করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বৃহস্পতিবার জোড়া গোল করেছিলেন লিকটেনস্টাইনের বিপক্ষে। ইউরো ২০২৪-এর বাছাইপর্বে লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে তার জোড়ায় ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে জিতেছে পর্তুগাল।
লুক্সেমবার্গের জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৮ মিনিটের মধ্যে ৩ গোল দেয় রবার্তো মার্তিনেজের দল। ২০১৬ সালের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের সামনে কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৯২তম স্থানে থাকা লুক্সেমবার্গ। ৯ মিনিটে গোলের উদ্দেশ্যে প্রথম শটেই এগিয়ে যায় র্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরে থাকা পর্তুগাল। নুনো মেন্দেজ হেডে খুঁজে নেন বক্সে থাকা রোনালদোকে। পায়ের টোকায় বল জালে জড়ান পর্তুগাল অধিনায়ক। সিআরসেভেন ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ৩১ মিনিটে। ফার্নান্দেজের থ্রুু বলে নিয়ন্ত্রণ নিতে ছুটে আসা প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দেন রোনালদো, এরপর বক্সের মধ্যে বাঁ পায়ের শটে গোলটি করেন। এই গোলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রেকর্ড গোলদাতার মোট গোল হলো ১৯৮ ম্যাচে ১২২। পর্তুগালের তিন তারকা ইউসেবিও (৪১), লুইস ফিগো (৩২) ও পওলেতা (৪২) মিলিত গোলকে ছাড়িয়ে গেলেন রোনালদো। পর্তুগাল নতুন কোচ মার্তিনেজ রোনালদোর প্রশংসায় পঞ্চমুখ, ‘ক্রিশ্চিয়ানো বিশ্বের ইউনিক খেলোয়াড়। বেশি ম্যাচও খেলেছে। তার অভিজ্ঞতা ড্রেসিংরুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি খেলোয়াড়েরই কোনো না কোনো দায়িত্ব আছে।’
ম্যাচের বাকি চারটি গোল করেন জোয়াও ফেলিক্স, বার্নার্দো সিলভা, ওতাভিও ও রাফায়েল লিও। ৮৩ মিনিটে রুবেন নেভেসের ফ্রি কিক ক্রসবার কাঁপিয়ে ফেরে। দুই মিনিট পর লেয়াওয়ের স্পট কিক ঠেকান লুক্সেমবার্গ গোলকিপার, নয়তো ব্যবধান আরও বড় হতো। দুই ম্যাচ জিতে জে গ্রুপে শীর্ষে আছে পর্তুগাল।
সি গ্রুপে নিজ নিজ ম্যাচে জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড ও ইতালি। ইতালি ২-০ জয় পেয়েছে মাল্টার বিপক্ষে। আজ্জুরিদের হয়ে গোল দুটি করেন মাতেও রেতেগুই ও মাত্তেও পেসিনা। আর্জেন্টিনায় জন্ম নেওয়া ফরোয়ার্ড রেতেগুই টানা দুই ম্যাচে গোল পেলেন। তবু কোচ রবার্তো মানচিনি মনে করেন ইতালির মতো করে ফুটবল খেলতে সময় লাগবে রেতেগুইয়ের।
ইংল্যান্ড ২-০ তে হারিয়েছে ইউক্রেনকে। ওয়েম্বলিতে ইংলিশদের হয়ে গোল করেন হ্যারি কেইন ও বুকায়ো সাকা। দুটি গোলই হয় প্রথমার্ধে। ইংল্যান্ডের হয়ে কেইনের গোল সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫। আগের ম্যাচেই গোল করে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে এককভাবে বসেছিলেন কেইন।