২০১৫ মৌসুমটা দুর্দান্ত কেটেছিল সৌম্য সরকারের। একসঙ্গে টানা কিছু সিরিজে ম্যাচ জয়ী পারফরম্যান্স করে জ্বলে উঠেছিলেন হাজার পাওয়ারে। অথচ ২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকে তার ব্যাটে আর বড় রান নেই।
তবুও জাতীয় দলে সৌম্য ছিলেন আসা যাওয়ার মধ্যে। শুধুই প্রতিভার কারণে। খুব মারতে পারেন বলে টি-টোয়েন্টির জন্য নিয়মিত নির্বাচকদের চিন্তায় ছিলেন। কিন্তু গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভালো করতে না পারায় বাদ পড়েন আবারও। এবার সেই বাদ পড়া সম্ভবত দীর্ঘই হচ্ছে।
সৌম্যকে তুলে আনা কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ফের বাংলাদেশের কোচ হয়ে ফিরেছেন। এটা এই ক্রিকেটারের সৌভাগ্যই বলা চলে। ক্রিকেট পাড়ায় কানা ঘুষায় চলে সৌম্যকে দেখতেই নির্বাচকদের মোহামেডানের খেলা দেখতে পাঠান হাথুরুসিংহে।
মঙ্গলবার সেই প্রয়োজনে যদি এসেই থাকেন তবে হতাশই হয়েছেন হাবিবুল বাশার সুমন। কারণ ব্রাদার্সের বিপক্ষে সৌম্য একেবারেই বাজে শট খেলে আউট হয়েছেন, ১২ বলে ৯ রান করে।
সৌম্যর আউটের ধরন এতই দৃষ্টি কটু ছিল যে হাবিবুল বাশার হতাশা আর দমিয়ে রাখতে পারলেন না, ‘সৌম্যর কাছে যে প্রত্যাশা ছিল সেটা পাচ্ছি না। কিছুদিন আগেও দলে ছিল। এখনও ওকে নিয়ে আমাদের চিন্তা আছে। কিন্তু ওর থেকে কিছুই পাচ্ছি না। প্রত্যাশা মতো ঘরোয়া ক্রিকেটেও খেলতে পারছে না। একটু হতাশ আমরা আসলে।’
সৌম্যর সমস্যা আসলে কোথায়? এই লিগে মাত্র একটি ফিফটি পেয়েছেন। নির্বাচক হিসেবে নয় হাবিবুল ধারণা দিলেন একজন ব্যাটার হিসেবে, ‘মানসিক ভাবে বলতে, সবাই তো কথা বলছে। নির্বাচকদের থেকেও ওর দিকে নজর রাখা হচ্ছে। এটাও তো বড় ব্যাপার। ও তো অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছে। এখন মানসিক সমর্থন না, ওর উচিত ওর নিজের খেলাটা নিজেকে ঠিক করা।’
‘মিষ্টার ফিফটি’ খ্যাত জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল মনে করেন সৌম্যর নিজের খেলাটা নিজেকেই ঠিক করতে হবে। ‘ব্যাটিং পরিকল্পনাটা হয়তো ওর (সৌম্য) এখন দেখছি না। যদি একজন ক্রিকেটার হিসেবে বলি আর কি, নির্বাচক না। এটা হয় যে কোন বোলারকে মারব, কাকে দেখে খেলব। কোন দিকে মাঠটা ছোট, কোনদিকে বড়, এসব দিক কিছু থাকে। এটা একজন ব্যাটারকেই ঠিক করতে হয়। ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক খেলেছে। এখন আর বোঝার কিছু নেই। ওকেই নিজেরটা ঠিক করতে হবে।’- বলছিলেন হাবিবুল।
আরও পড়ুন