কানাডা যাওয়ার পথে তুরস্ক থেকে যাত্রী নিতে চায় বিমান

কানাডার টরন্টো রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সময় তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে টেকনিক্যাল ল্যান্ডিং করে তেল নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট। তবে কানাডার বিধিনিষেধের কারণে সেসময় তুরস্ক থেকে কোনো যাত্রী নিতে পারেন না তারা। রুটটিকে লাভজনক করতে তুরস্ক থেকেও যাত্রী তোলার পরিকল্পনা করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আর তাই বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার লিলি নিকোলসের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্র্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান।

গতকাল মঙ্গলবার বেবিচক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বেবিচক চেয়ারম্যান। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ়করণসহ এভিয়েশন সেক্টরের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ ছাড়াও বাংলাদেশ-কানাডার মধ্যে বিমান চলাচল বৃদ্ধির লক্ষ্যে এয়ার কানাডার সঙ্গে বিমান বাংলাদেশসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসের কোড শেয়ারের মাধ্যমে কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সাক্ষাতের বিষয়ে বেবিচক আরও জানায়, বেবিচক চেয়ারম্যান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টরন্টো ফ্লাইটে মধ্যবর্তী যাত্রাবিরতি পয়েন্টে (তুরস্ক) যাত্রী ওঠা-নামার অনুমোদনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার জন্য কানাডার হাইকমিশনারকে অনুরোধ জানান। তাছাড়া কানাডার অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থার সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কোড শেয়ারের বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ করেন। হাইকমিশনার এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

যদি বিমান কোড শেয়ারিংয়ের অনুমতি পায় সেক্ষেত্রে বিমানের যাত্রীরা বিমানের তত্ত্বাবধানে ঢাকা থেকে টরন্টো হয়ে কানাডার যেকোনো শহরে কানেক্টিং ফ্লাইটের মধ্যে যেতে পারবেন। বর্তমানে কানাডার অন্যান্য রুটের বিমানযাত্রীরা ঢাকা থেকে টরন্টো নেমে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অন্য এয়ারলাইনসে টিকিট কেটে অন্যান্য শহরে যাচ্ছেন।

সাক্ষাতে কানাডার হাইকমিশনার বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আকাশ যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা এবং এভিয়েশন খাতে অবকাঠামো উন্নয়নে কানাডার বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।