দাবদাহে হাঁসফাঁস করছে সারাদেশের মানুষ। গরমে জনজীবন হয়ে আছে স্থবির। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে এবারের তাপমাত্রা। এমন পরিস্থিতেও থেমে নেই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। তবে তীব্র গরমের কারণে ডিপিএল সূচি পরিবর্তনে কথা বলছেন আবাহনী লিমিটেডের কোচ ও বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন।
সাভারে ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন আবাহনী কোচ সুজন। সেখানে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটার উঠে আসা ভিত্তি হিসেবে বিপিএলের চেয়েও ডিপিএলকে এগিয়ে রাখেন তিনি। তাই তীব্র গরমে ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট আয়োজনে আরো সূচারু হওয়ার পক্ষে সুজন।’
প্রচন্ড গরম সহ্য করেও ক্রিকেটাররা খেলে যাচ্ছেন। এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিসিবির প্রভাবশালী এই পরিচালক। তবুও এমন পরিস্থিতিতে খেলা কঠিন বলে একবাক্যে স্বীকার করলেন তিনি।
সুজন বলেন, ‘খুবই কঠিন। কোনো সন্দেহ নেই যে খুব কঠিন। আমি ছেলেদেরকে ধন্যবাদ দিই, আম্পায়ারদের দিই যারা এ গরমে ম্যাচ পরিচালনা করছেন, এ গরমে এটা এত সহজ না। ছেলেরা আজকে বার বার অভিযোগ করতেছিল যে স্যার অনেক গরম মাঠের ভেতর। কিন্তু কিছু করার নেই। দিন শেষে আমাদেরকে এ গরমেই খেলতে হয় সব সময়। প্রতিবছর প্রিমিয়ার লিগটা কেন জানি এ সময়ই হয়, যেটা আমাদের ওয়ান অব দ্য বেস্ট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ ক্রিকেটে, আমি বিপিএলের আগেও এগিয়ে রাখি এটাকে খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্ট।’
কয়েক দিন ধরেই ঢাকাসহ দেশের বড় অংশজুড়ে প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। বয়ে যাচ্ছে দাবদাহ। এই বিষয়গুলো আমলে নিয়ে পরবর্তীতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া উচিত কি না এমন প্রশ্নে সুজন বলেন, ‘এটা নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। সবাই টের পাচ্ছে তীব্র গরমের পরিস্থিতি। দেশের ক্রিকেটে ঢাকা লিগের অবদান অনেক। এখান থেকে যেমন ক্রিকেটার উঠে এসেছে ঠিক তেমনি এখানে খেলেছেন অনেক রথী-মহারথি ক্রিকেটাররা। দেশের ক্রিকেটের কল্যাণেই ডিপিএলের সময়সূচি আরো ভেবে দরকার প্রয়োজন মনে করেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক।
সুজন আরও বলেন, ‘২০ ওভার হলেও কথা ছিল না, ৫০ ওভারের খেলা, বড় খেলা হয়। তারপর আমরা একদিন পর পর বা দুদিন পরপর ম্যাচ খেলছি, এটা সহজ নয় যে সপ্তাহে আপনি ৩টা ম্যাচ খেলছেন। আমার মনে হয় আমরা যদি চেষ্টা করি কোনোভাবে আমরা ক্যালেন্ডারে অন্যকোনো ফাঁকে এটা দিতে পারি তাহলে আমার মনে হয় যে কারণ এ ক্রিকেট থেকে আমাদের ওয়ানডে দল নির্বাচন হয়, অনেক ছেলের পারফর্ম গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি যোগ করেন, ‘আমি মনে করি সেটার দিকে নজর দিলে ভালো হয়। একজন বোর্ড ডিরেক্টর হিসেবে আমিও জানি এটা কঠিন, তারপরও আমাদের একটা পরিকল্পনা করতে হবে আমরা কোনো জায়গায় এটা দিতে পারি কি না।’