বড় জয়ে সেমিফাইনালে মোহামেডান

প্রিমিয়ার লিগের হতশ্রী রূপটা ঝেড়ে ফেলে ফেডারেশন কাপে উদ্ভাসিত মোহামেডান। গতকাল কোয়ার্টার ফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে ৪-১ গোলের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে সাদা-কালোরা। কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে মোহামেডানের হয়ে মালির ফরোয়ার্ড সুলেমান দিয়াবাতে করেছেন জোড়া গোল। ইমানুয়েল সানডে করেন একটি গোল। আর অপর গোলটি এসেছে মোজাফফর মোজাফফরভের কর্নার প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের মাথা ছুঁয়ে জালে প্রবেশ করলে।

লিগে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে প্রথমপর্ব শেষেই কোচ শফিকুল ইসলাম মানিককে ছেঁটে ফেলেছিল মোহামেডান। তার জায়গায় খ-কালীন দায়িত্ব নিয়েই দলটাকে বদলে ফেলেন সাবেক তারকা আলফাজ আহমেদ। তার অধীনে লিগের টেবিলে উন্নতির পাশাপাশি ফেডারেশন কাপেও দারুণ গতিতে এগুচ্ছে মোহামেডান।

প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় মোহামেডান। চট্টগ্রাম আবাহনীকে কোণঠাসা করে ফেলে মোহামেডানের আক্রমণভাগ। ২০ মিনিটেই যার ফল পেয়েছে সাদা-কালোরা। শাহরিয়ার ইমনের কাটব্যাকে ইমানুয়েল সানডে নিঁখুত টোকায় বল জালে জড়ান। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় মোজাফফরভের দক্ষতায়। ডান দিক থেকে তার কর্নার প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের মাথা ছুঁয়ে জালে জড়ায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ান দারুণ ছন্দে থাকা দিয়াবাতে। মোজাফফরফের লম্বা পাসে মিঠুর ভলি গোলমুখে পেয়ে গোল করেন লিগে দুই হ্যাটট্রিকে ৯ গোলের মালিক দিয়াবাতে। ৫৩ মিনিটে ইমানুয়েল দারুণ গোলের সুযোগ হাতছাড়া করলে ব্যবধান বাড়েনি মোহামেডানের। তবে ৬৯ মিনিটে ফেডারেশন কাপে নিজের তৃতীয় গোলের দেখা পান মোহামেডানের ঘরের ছেলে দিয়াবাতে। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে খানিকটা জায়গা করে ডান পায়ের জোরালো শটে অসাধারণ গোল করেন তিনি। ৭৬ মিনিটে অবশ্য পেনাল্টি পেয়ে হারের ব্যবধান কমিয়েছেন ক্যান্ডি অগাস্টিন। ৯ মে প্রথম সেমিফাইনালে মোহামেডানকে পরীক্ষা দিতে হবে কাগুজে সেরা বসুন্ধরা কিংসের কাছে। আর ১৬ মে অপর সেমিফাইনালে আবাহনীর প্রতিপক্ষ ঠিক হবে ২ মে শেখ রাসেল ও রহমতগঞ্জ ম্যাচের পর।