ফেনীর সোনাগাজীতে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তারা হলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার ইসলাম তুষার ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াদ হোসেন। গত মঙ্গলবার রাত ৯টায় উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের তাকিয়াবাজারে এ ঘটনা ঘটে।
মজলিশপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার খায়ের ও তার অনুসারীরা হামলা চালিয়ে তাদের জখম করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে যুবলীগ নেতা আনোয়ার খায়ের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আহতদের মধ্যে রিয়াদকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুনরায় হামলার আশঙ্কায় তুষার অজ্ঞাত স্থানে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। সোনাগাজী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক মারুফ বলেন, সরকার সমর্থকদের হামলা থেকে রক্ষা পেতে রিয়াদ ও তুষার দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে ছিলেন। গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে তুষার পারিবারিক কাজে বাড়ি যাওয়ার পথে তাকিয়াবাজারে পৌঁছালে যুবলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার পথরোধ করে। এ সময় তারা তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করতে যান রিয়াদ। এ সময় যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে। এ হামলার জন্য তিনি মজলিশপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার খায়ের ও তার অনুসারীদের দায়ী করেন।
অভিযোগের বিষয়ে যুবলীগ নেতা আনোয়ার খায়ের বলেন, হামলার সঙ্গে যুবলীগের কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা নেই। উপজেলা ছাত্রদল ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলে দীর্ঘদিন ধরে কোন্দল রয়েছে। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি খালেদ হোসেন দাইয়ান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।