বিদেশের উইকেটে থাকে পেসারদের আধিপত্য। অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা নিউজিল্যান্ড, সব জায়গাতেই তোপ দাগান তারা। সেখানকার উইকেটগুলোও থাকে পাথরের মতো শক্ত। তবে উল্টো চিত্র বাংলাদেশে। বেশিরভাগ স্টেডিয়ামের উইকেটগুলো হয় স্পিন নির্ভর। স্পিনাররাই দাপট দেখান সেখানে।
বিসিবি যখন পূর্বাচলে নিজেদের খরচে নির্মাণ করছে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। তখন প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক মাটি কোথা থেকে আনা হচ্ছে? তবে বিদেশ থেকে মাটি আনলেই যে ঐ রকম ফল আসবে বিষয়টি তা নয়। বরং দেশের মাটিতেও ভালো উইকেট প্রস্তুত সম্ভব।
এমনটি মনে করেন বিসিবি পরিচালক ও গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম। আজ পূর্বাচলের স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এই তথ্য জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব আনাম বলেন, ‘উইকেট প্রস্তুত করতে আমরা বিদেশ থেকে কনসালটেন্ট আনছি। মাটি কোথা থেকে আসবে সেটা বড় কথা নয়। বিদেশ থেকে মাটি আনলেই সেটা যে উপকারে আসবে, সেটারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। দুবাইয়ের গ্লোবাল ক্রিকেট একাডেমিতে আইসিসি বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি এনে চেষ্টা করেছিল। তবে মাটির সঙ্গে সেখানকার আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতাসহ বিভিন্ন বিষয় জড়িয়ে থাকে। সুতরাং এটা আনলেই যে ফল পাওয়া যাবে তা কিন্তু নয়।’
তাই শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দেশের মাটি দিয়ে মাঠ প্রস্তুত করতে চান মাহবুব আনাম। তিনি বলেছেন, ‘দেশের মাটি দিয়েই আমরা ভালো উইকেট প্রস্তুত করতে চাই। এবং এটা কিন্তু সম্ভব। আপনারা দেখেছেন সিলেটে ও বগুড়ায় ভালো উইকেট পেয়েছি। এমনকি মিরপুরেও বিভিন্ন ধরনের উইকেট প্রস্তুত সম্ভব।’
তবে সিদ্ধান্তটা পরামর্শক দেবেন জানিয়ে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘আগামী মাসের মাঝামাঝি উইকেট পরামর্শক আসছেন। তাকে আমরা এখানকার বিভিন্ন মাটির নমুনা দেখাব। তারপর তিনি আমাদের যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমরা সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করব।’