ঢাকায় আরও একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সম্ভাবনা সত্যি হওয়ার পথে। পূর্বাচলে প্রধানমন্ত্রীর নামে নামকরণ করা শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের মাঠ পুরোপুরি প্রস্তুত হতে এ বছরটিই বাকি। আগামী বছরের শুরুতেই ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য এই স্টেডিয়ামের মাঠ ব্যবহার করা যাবে। ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলা চলমান রেখেই গ্যালারি ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন চালু রাখবে বিসিবি। ক্রিকেট বোর্ডের নিজস্ব এই স্টেডিয়াম তৈরিতে মোট ৫০০ কোটিরও বেশি অর্থ লাগতে পারে। কাল পূর্বাচলের স্টেডিয়াম এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এসব তথ্য জানান বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির প্রধান মাহবুব আনাম।
নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বে বর্তমান কমিটি শুরুতেই বলেছিল ক্রিকেট মাঠ বাড়ানোর কথা। যা দেশের ক্রিকেট উন্নতিতে ভূমিকা রাখবে। সেই চেষ্টায় ইতিমধ্যে দেশে বেশ কিছু ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে বিশেষায়িত ভাবে ব্যবহার করছে বিসিবি। খুলনা নারী ক্রিকেটের জন্য, চট্টগ্রাম-রাজশাহীকে যুব ক্রিকেটের জন্য, এর আগে বাংলা টাইগার্সের প্রোগ্রাম হয়েছিল বগুড়ায়। তবে এসব মাঠ ক্যাম্প করার জন্য উপযুক্ত হলেও টুর্নামেন্ট করার ক্ষেত্রে সুবিধার দিক থেকে পিছিয়ে। তাই ঢাকার পাশে সাভারের বিকেএসপিতে ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ আয়োজন করতে হয়। ঢাকা থেকে যেখানে যাতায়াতেই সিংহভাগ সময় ও শ্রম চলে যায় দলগুলোর। পূর্বাচলের শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম বিসিবির এই চিন্তার বড় স্বস্তি হতে পারে। মাহবুব আনাম জানান, ‘বিসিবি যে পরিমাণ খেলা আয়োজন করে তা করা আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে বিশেষ করে ঢাকা শহরে। সেটা মাথায় রেখেই আমরা মূল মাঠ ও আউটার স্টেডিয়ামের উইকেটগুলো তৈরি করা শুরু করব। আমরা যদি উইকেটগুলো তৈরি করতে পারি বা ড্রেনেজ ও ফিলিংটা দরকার সেটা আমরা করে ফেলতে চাই। এ বছর না হলেও আগামী বছরের শুরুর দিকে ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচগুলো আয়োজন করা যাবে তাহলে।’ নিউজিল্যান্ড থেকে অভিজ্ঞ পিচ কিউরেটর এলে পিচের ব্যাপারে আলোচনা শুরু করবে বিসিবি। তখন দেশীয় মাটিতে পিচ তৈরি করা হবে না বিদেশ থেকে মাটি আসবে সেই সিদ্ধান্ত হবে।