বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুতি, ক্ষতিপূরণ, ন্যায্য পাওনা আদায়সহ শ্রমিকসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে ভরসার জায়গা হচ্ছে শ্রম আদালত। তবে এখানেও শ্রমিকদের ভোগান্তির শেষ নেই। কর্মক্ষেত্রে যেমন ন্যায্যতা আর ন্যায্য প্রাপ্তির জন্য ঘাম ঝরাতে হয়, তেমনি আদালতেও তাদের ঘুরতে হয় বছরের পর বছর।
আইনজীবীরা এবং শ্রমিক নেতারা মনে করেন, যথেষ্ট বিলম্বে তারিখ ধার্য করা, প্রযুক্তিগত পশ্চাৎপদতা, একতরফা নিষ্পত্তির মামলা পুনরুজ্জীবিতকরণ, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ, আইনের অস্পষ্টতা, মালিক বা কর্তৃপক্ষের স্বার্থরক্ষায় আদালতের কর্মচারীদের দুর্নীতি বিচারকাজে তথা শ্রমিকের ন্যায্যতা নিশ্চিত করার পথে অন্তরায়।
বিস্তারিত পড়ুন আগামীকাল সোমবার দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতায়।