উচ্চ পারিশ্রমিকের দাবিতে হলিউড লেখকদের ধর্মঘট

উচ্চ বেতন ও পারিশ্রমিকের দাবিতে ধর্মঘটে নেমেছেন হলিউড চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন লেখকরা। অ্যালায়েন্স অফ মোশন পিকচার অ্যান্ড টেলিভিশন প্রডিউসারস (এএমপিটিপি)-এর সাথে রাইটার্স গিল্ড অফ আমেরিকার (ডব্লিউজিএ) একটি নতুন চুক্তির চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় লেখকরা এই ধর্মঘট শুরু করেন।

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, ১১,৫০০ লেখক এই আন্দোলনে নেমেছেন। ধর্মঘটের কর্মসূচি হিসেবে মঙ্গলবার লেট নাইট টিভি শোগুলো বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।

লেখকদের সংগঠনের দাবি, বর্তমানে স্ট্রিমিং বুম শো চলচ্চিত্র ও টিভি ব্যবসাকে কীভাবে পরিবর্তন করছে তার উপর নির্ভর করে তাদের বেতন ও পারিশ্রমিক বাড়াতে হবে.

‘ডব্লিউ জি এ’র পরিসংখ্যান অনুসারে, টিভি সিরিজের লেখকদের অর্ধেক এখন ন্যূনতম বেতনের স্তরে কাজ করে। ২০১৩-১৪ মৌসুমে এক তৃতীয়াংশের তুলনায় উচ্চ লেখক/প্রযোজক স্তরে লেখকদের বেতন গত দশকে ৪ শতাংশ কমেছে।

ধর্মঘটে রাইটার্স গিল্ড অফ আমেরিকা (ডব্লিউজিএ) এর শত শত সদস্য প্রথম কর্মদিবসে নিউইয়র্ক এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে পিকেটিং করেছেন। গিল্ড সদস্যরা হলিউডের প্যারামাউন্ট ফিল্ম স্টুডিওর বাইরেও প্রতিবাদ করেছে। প্রায় এক ডজনেরও বেশি জায়গায় জড়ো হয়ে নিজেদের অধিকার আদায়ে স্লোগান দেয় তারা।

লেখক ড্যানিয়েল ট্যালবট বলেন, আমরা খুব ন্যায্য ক্ষতিপূরণ চাইছি, এবং মূলত স্টুডিওগুলি আমাদের নিয়ে উপহাস করেছিল। আমরা আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করছি।

লেখক এবং অভিনেতা জন ওয়েন লোয়ের সাথে ধর্মঘটে অংশ নেওয়া তার বাবা রব লো বলেন, আমি লেখকদের সমর্থন করি কারণ অভিনেতা হিসেবে তখনই ভালো করি যখন ভালো লেখা পাই।

ধর্মঘটের কারণে ‘জিমি কিমেল লাইভ’, ‘দ্য টুনাইট শো’, ‘স্যাটারডে নাইট লাইভ’ সহ অন্যান্য লেট নাইট অনুষ্ঠানগুলোর নতুন পর্বগুলো বাতিল করা হয়েছে লেখকদের নতুন স্ক্রিপ্ট ও জোকসের অভাবে।