তুরস্কে নির্বাচনের দুই দিন আগে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মুহাররেম ইনসে। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল কিলিকদারোগ্লুকে এগিয়ে রাখতেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (১১ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী রবিবার ( ১৪ মে) তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সম্ভাব্য প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হচ্ছে, দেশটির প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা কামাল কিলিকদারোগ্লুকে।
এই দুই প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর সঙ্গে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন হোমল্যান্ড পার্টির প্রার্থী মুহাররেম ইনসে। কিন্তু বুধবার আকস্মিকভাবে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। এ সময় তিনি তার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’ চালানোর অভিযোগ করেন ।
এদিন নির্বাচন থেকে নিজের প্রার্থিতা বাতিলের ঘোষণা দিয়ে আঙ্কারায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইনসে বলেন, ‘আমি এই নির্বাচনের প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। আর নিজের দেশের জন্যই আমি এটা করছি।’ এ সময় প্রধান বিরোধী দলের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘ তারা হেরে গেলে আমাকে দোষারোপ করুক তা আমি চাইনা।’
রবিবারের এ নির্বাচনকে সামনে রেখে তুরস্কে নানা জরিপ পরিচালিত হয়েছে। সেখানে ইনসেকে তৃতীয় প্রধান প্রার্থীর অবস্থানে দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বেশ কিছু বিরোধী দলীয় নেতা আশঙ্কা করছেন, তিনি এরদোয়ান-বিরোধী ভোটকে বিভক্ত করবেন।
তবে ইনসে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও তার দল হোমল্যান্ড পার্টি পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবে। এ নির্বাচনে তিনি কোনও প্রার্থীকেই সমর্থন করেননি। তার ভোটার সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, এরদোয়ান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) থেকে। আর কিলিকদারোগ্লুর দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি)। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।