বসে থাকলেও রুটের কাছে আইপিএলই এগিয়ে

সময়ের সেরা ক্রিকেটার জো রুট। ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের প্রাণ ভোমরাও তিনি। তবে এবারের আইপিএলে দল পেলেও ব্রাত্য হয়ে আছেন। রাজস্থান রয়্যালসের রিজার্ভ বেঞ্চে বসে দিনের পর দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। তবুও বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে এগিয়ে রাখছেন তিনি। তার মতে, কাউন্টিতে ম্যাচ খেলার চেয়ে আইপিএলে বেঞ্চে বসে থাকা ঢের ভালো।

প্রথম ১০টি ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগই পাননি। পরে তিন ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেলেও প্রথম ২টি ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ হয়নি তাঁর। নিজের তৃতীয় ম্যাচে প্রথমবার আইপিএলে ব্যাট করতে নামেন রুট। আরসিবির বিপক্ষে সেই ম্যাচে ১৫ বলে ১০ রান করেন তিনি।

রুটের সামনে সুযোগ ছিলো, আইপিএলে সাইড বেঞ্চে না বসে থেকে কাউন্টি খেলে অ্যাশেজের প্রস্তুতি নিতে। অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ এমনটাই করছেন এবার। তবে কাউন্টির চেয়ে আইপিএলকে এগিয়ে রাখছেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক।

রুট বলেন, ‘শুরুতেই এটা বলে নিই যে, ইয়র্কশায়ারের হয়ে কাউন্টি খেলা আমার ভীষণ পছন্দের। ইংল্যান্ড ক্রিকেটের ভিত্তিই হল কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ। প্লেয়ারদের পরিণত করে তোলার ক্ষেত্রে কাউন্টির জুড়ি নেই। তবে যতদূর নিজের খেলা এবং নিজেকে পরিণত করে তোলার প্রসঙ্গ, ৩২ বছর বয়সে এসে আমার এই প্রথমবার এমন (আইপিএলের) অভিজ্ঞতা হচ্ছে।’

রুট যোগ করেন, ‘আমি মনে করি যে, কাউন্টি খেলার থেকেও আইপিএলের এই অভিজ্ঞতাই দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে আমাকে উপকৃত করবে। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে কাউন্টির চারটি ম্যাচ থেকে আমি খুব বেশি কিছু শিখতে পারতাম না। তাছাড়া সূচির দিকে তাকান, একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছে এবং বৃষ্টি বিঘ্নিত আরও একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।’

আইপিএলে মূল একাদশে সুযোগ না পেলেও ওয়ানডে বিশ্বকাপে চোখ রুটের। কন্ডিশন আর উইকেট নিয়ে দ্রুত তৈরি হতে আইপিএলকে সহায়ক ভাবছেন তিনি।

রুট আরও বলেন, ‘কাউন্টির এই ম্যাচগুলি আমাকে যথার্থই অ্যাশেজের জন্য প্রস্তুত করে তুলত কি? তার থেকে বিশ্বকাপের ৬ মাস আগে ভারতের পরিবেশে খেলা, বিভিন্ন ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথাবার্তা, যত বেশি সম্ভব শেখার চেষ্টা করা, এগুলি আমাকে পরবর্তী সময়ে বেশি সাহায্য করবে না কি?’

ইংল্যান্ডের হয়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৩১৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন রুট। এছাড়া দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৬৪টি ম্যাচে। প্রায় এক দশকের আন্তর্জাতিক ক্যরিয়ারে ১৮ হাজার ৪৮ রানের মালিক ৩২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।