অযথা হর্ন না বাজানোর অঙ্গীকার ২০০ চালকের

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবহন চালক শ্রমিকদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত  হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর পূর্বাচলের ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টার-ডিটিসি মিলনায়তনে সচেতনতামূলক এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের অধীনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে দুই শতাধিক পরিবহন-শ্রমিক অযথা হর্ন না বাজানোর অঙ্গীকার করেন।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের প্রশিক্ষণ ও প্রচারণা বিশেষজ্ঞ গাজী মহিবুর রহমান। তিনি প্রথমে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সচেতনতামূলক ভিডিওচিত্র ও পরে এই বিষয়ে তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। তিনি তার উপস্থাপনায় অবহিত করেন, শব্দদূষণ হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপসহ ৩০টি রোগের কারণ। হাইড্রোলিক হর্ন বহু আগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিধিমালা অনুসারে, এই হর্ন ব্যবহার করলে তার শাস্তি রয়েছে। এ ছাড়া বিধিমালা অনুসারে, নীরব এলাকায় গাড়ির চালকদের হর্ন না বাজানোসহ বিভিন্ন এলাকায় কী কী নিয়ম মানতে হবে তা তাদের জানতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক ফজলে এলাহী বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন জানতে হবে।

এ জন্য আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করে যাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিটিসি এর চেয়ারম্যান নূর নবী শিমু। বক্তব্য দেন ডিটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আতাহিয়া, রোড সেফটি অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব মো. আব্দুল ওয়াহেদ, ডিটিসির পরিচালক শাহীন হোসেন মোল্লা, দিদারুল ইসলাম দিদার, জহিরুল ইসলাম, মো. আলম, লোকমান হোসেন রানা, বাংলাদেশ মোটরযান মেকানিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জসীমউদ্দিন, শ্রমিক নেতা আনোয়ার হোসেন আনু, সেবকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান মোহাম্মদ বাবুল, ডিটিসিএল এর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অধ্যক্ষ আবেদ হোসেন পলাশ, নারী গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষক রূপা রহমান। অনুষ্ঠানে নারী গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষক নাহিদা সুলতানা, হোসেনে আরা শেফা, বিলকিছ আক্তার প্রার্থনা, গাড়ি চালক স্বপন আহমেদসহ আরও অনেকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের প্রশিক্ষণ আরও জরুরি প্রয়োজন বলে মতামত দেন।