রাজধানীর মিরপুরে চলন্ত মোটরসাইকেলে বসে এক যুবককে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারই দুই বন্ধুকে। গ্রেপ্তার হওয়া সাগর ও শাহেদ আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বরাতে পুলিশ বলেছে, দুই হাজার টাকা নিয়ে বিবাদের জেরে জাহাঙ্গীর আলম নামের ওই যুবককে গলা কেটে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে পুলিশ তাকে রাস্তা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানান, গত শুক্রবার গভীর রাতে হত্যাচেষ্টার ওই ঘটনা ঘটে। শনিবার দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আলামত হিসেবে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত ছুরি, মোটরসাইকেল এবং আসামির রক্তমাখা জামা উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরের বাবা আব্দুল হালিম একটি মামলা করেছেন। ওই মামলায় সাগর ও শাহেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সাগর দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর পেশায় গাড়িচালক। পাশাপাশি মোটর মেকানিক হিসেবেও কাজ করেন। তার বন্ধু সাগর ও শাহেদও মোটর মেকানিক। জাহাঙ্গীরের কাছে দুই হাজার টাকা পেতেন সাগর। ওই টাকা নিয়েই দুজনের মধ্যে বিবাদ বাধে। যার জেরে শাহেদকে নিয়ে জাহাঙ্গীরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন সাগর।
ঘটনার দিন তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে চড়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ান। বাইক চালাচ্ছিলেন শাহেদ। পেছনে বসেছেন সাগর। আর দুজনের মাঝে ছিলেন জাহাঙ্গীর। শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মিরপুরের লাভ রোড এলাকায় গিয়ে চলন্ত মোটরসাইকেলে বসেই সাগর জাহাঙ্গীররের গলায় ছুরি চালিয়ে গাড়ি থেকে ফেলে দেন ও পালিয়ে যান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়।