বৃষ্টির জন্য রবিবার আহমেদাবাদে হয়নি আইপিএলের ফাইনাল। ম্যাচ গড়ায় রিজার্ভ ডে-তে। যদিও সোমবার আমদাবাদে বৃষ্টির শঙ্কা নিয়েই মাঠে নামে দুই দল। নির্বিঘ্নে ব্যাট করে গুরাট টাইটানস। পঞ্চম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে চেন্নাই সুপার কিংসকে ছুঁড়ে দেয় ২১৫ রানের টার্গেট। তবে চেন্নাইয়ের রান তাড়ার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি।
বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৩ বল মোকাবেলা করে বিনা উইকেটে ৪ রান করে চেন্নাই সুপার কিংস।
এর আগে সাই সুদর্শনের ৯৬ আর ঋদ্ধিমান সাহার ৫৪ রানে ভর করে ৪ উইকেটে ২১৪ রান করে গুজরাট। আগের ম্যাচে দারুণ শতক হাকানো শুভমান গিল ফিরে যান ৩৯ রান করেই।
আইপিএল ফাইনাল মানেই ঋদ্ধিমান সাহার ধামাকা। বড় মঞ্চে বারবার জ্বলে ওঠেন ঋদ্ধি। আজ ফের জ্বলে উঠলেন ঋদ্ধি। দুরন্ত হাফসেঞ্চুরি করে ভরসা জোগালেন দলকে। সেই সঙ্গে গড়লেন একাধিক নজির। ৩৮ বছর ২১৭ দিন বয়সে ঋদ্ধি এই নজির গড়লেন। এ দিন ৩৯ বলে ৫৪ রানের ঝকঝকে একটি ইনিংস খেলেন ঋদ্ধি। বুড়ো প্লেয়ার হিসেবে আইপিএল ফাইনালে হাফসেঞ্চুরি করার নজির করলেন বাঙালি উইকেটকিপার ব্যাটার।
তার ইনিংসে রয়েছে পাঁচটি চার, একটি ছয়। সেই সঙ্গে সবচেয়ে বুড়ো প্লেয়ার হিসেবে আইপিএল ফাইনালে হাফসেঞ্চুরি করার নজির করলেন ঋদ্ধি। তাঁর মতো এত বেশি বয়সের কোনো ক্রিকেটারের আইপিএল ফাইনালে শতরান তো দূরের কথা, হাফসেঞ্চুরিও করতে পারেননি।
শেষ ওভারে পথিরানার প্রথম ২টি বলে ২টি ছক্কা মারেন সাই সুদর্শন। ১৯.৩ ওভারে পথিরানার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। নিশ্চিত শতরান মাঠে ফেলে আসেন সুদর্শন। ৮টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ৪৭ বলে ৯৬ রান করেন তিনি।
চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মাহিশা পাথিরানা ৪৪ রান খরচায় দুটি, রবীন্দ্র জাদেজা ও দীপক চাহার নিয়েছেন একটি করে উইকেট।