টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ২০২২ সালে এশিয়া কাপ হয়েছিল আগস্ট-সেপ্টেম্বরে। দুবাইয়ে ওই সময় প্রচন্ড গরমে বাংলাদেশ দলকে রাত ১০টার দিকে অনুশীলন করতে হয়েছে। সাধারণত ক্রিকেটারদের নিয়ম সকালে অনুশলীন করা এবং রাতে দ্রুত ঘুমাতে যাওয়া। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে রাতে অনুশীলনে নামতে হয় ক্রিকেটারদের। ঠিক এক বছর পর আবারও সেই অস্বস্তি ফিরতে যাচ্ছে, যদি হাইব্রিড মডেলে এবারের টুর্নামেন্টের বেশির ভাগ ম্যাচ হয় দুবাইয়ে।
পাকিস্তানে হওয়ার কথা থাকায় এশিয়া কাপ নিয়ে সমস্যা মিটছে না। ভারত পাকিস্তানে খেলতে না যাওয়ায় জটিলতা বেড়েছে। পাকিস্তান ভারতের ম্যাচ অন্য ভেন্যুতে এবং নিজেদের ও বাকি দলের ম্যাচ নিজেদের দেশে আয়োজন করতে চায়। তাতে ক্রিকেটারদের ভ্রমণ ক্লান্তি ও সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানের সমস্যা। তাই একটি দেশে এশিয়া কাপ আয়োজন করার কথা উঠছে। সেখানেই দুবাই অথবা শ্রীলঙ্কার নাম আসছে।
কিন্তু আগস্ট-সেপ্টেম্বরে তীব্র গরমে দুবাইয়ে ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলা কঠিন। তাই আফগানিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কার ইচ্ছা টুর্নামেন্ট শ্রীলঙ্কায় হোক। বাংলাদেশ অবশ্য যেকোন দেশে খেলা হলেই রাজি, তবে শ্রীলঙ্কাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে বিসিবিও।
সমস্যাটা দুবাই নিয়ে। সেখানে খেলা হলে এক দলকে দিনের আলোয় পুরো ৫০ ওভার ফিল্ডিং করতে হবে। তা অত্যন্ত কঠিন। আগের অভিজ্ঞতা থেকেই বাংলাদেশ তা বুঝেছে এবং এমন কিছু হলে গরমের অস্বস্তি নিয়ে ক্রিকেটারদের খেলতে হবে বলে জানালেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স প্রধান জালাল ইউনুস।
তিনি বলেছেন, ‘আমরা তো এশিয়া কাপ খেলতে আগ্রহী। সমস্যা হলো যদি দুবাইয়ে হয়, সেখানে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলা অত্যন্ত কঠিন। আমরা গতবার রাত ৯টার পর অনুশীলন করেছি। অস্বস্তি তো তখন থাকবেই। কিন্তু বিশ^কাপ সামনে রেখে যতটা প্রস্তুত ও সতর্কতা দরকার আমরা সেভাবে চিন্তা করছি। তাই চাচ্ছিলাম না দুবাইয়ে খেলা হোক। এখন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল যদি সিদ্ধান্ত নেয় দুবাইতেই হবে এবং সবাই খেলতে চায়, তাহলে তো আমাদেরও খেলতে হবে।’