মঞ্জুর হত্যা মামলায় পরবর্তী শুনানি ১৩ আগস্ট

মেজর জেনারেল মঞ্জুর (এম এ মঞ্জুর) হত্যা মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ ধসমর্থন ও পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৩ আগস্ট দিন ধার্য করেছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার এ মামলার শুনানির ধার্য দিনে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল কাশেম দেশ রূপান্তরকে বলেন, আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও এক আসামির ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম স্থগিতাদেশের বিষয়ে সবশেষ তথ্য নিয়ে শুনানির কথা ছিল। এ ছাড়া তদন্ত কর্মকর্তার পুনঃসাক্ষ্য গ্রহণের পর গত বছরের ২৯ আগস্ট আসামি মোস্তফা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়ার আইনজীবীরা সাক্ষীকে পুনঃজেরা করতে আবেদন করলে সেটি নাকচ হয়। এ আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ হাইকোর্টে আবেদন করে। তিনি বলেন, ‘আজ (গতকাল) আইনজীবীরা হাইকোর্টে এ বিষয়ে শুনানি করবেন বলে সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।’ 

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক সেনা অভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গুলিতে নিহত হন তখনকার রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ঘটনার সময় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর ২৪তম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি (জেনারেল অফিসার স্টাফ) ছিলেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে আটকের পর ১ জুন তাকে হাটহাজারী থানা হেফাজত থেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার ১৪ বছর পর ১৯৯৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুরের ভাই আবুল মনসুর আহমেদ বাদী হয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ১৯৯৫ সালে ১৫ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দ। অভিযোগপত্রে সাবেক সেনাপ্রধান ও পরে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল লতিফ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোস্তফা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শামসুর রহমান শামস ও মেজর (অব.) কাজী এমদাদুল হক এই পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এরশাদ ও আব্দুল লতিফ মৃত্যুবরণ করায় অধিকতর তদন্তে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।