সুরক্ষা নিশ্চিতে বাজেট ও মুদ্রানীতির সুসমন্বয় জরুরি

২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী নয়; বরং সংস্কারমুখী ও আশাবাদী বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং উন্নয়ন সমন্বয়ের সভাপতি ড. আতিউর রহমান। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে সামষ্টিক-অর্থনৈতিক অস্থিরতা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাজেট ও মুদ্রানীতির সুসমন্বয় জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

গতকাল শনিবার ঢাকায় উন্নয়ন সমন্বয় কার্যালয়ের খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ কনফারেন্স কক্ষে সংগঠনটির আয়োজনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মূল নিবন্ধ উপস্থাপনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

উন্নয়ন সমন্বয়ের ইমেরিটাস ফেলো খন্দকার সাখাওয়াত আলীর সঞ্চালনায় মতবিনিময়ে আরও আলোচনা করেন সংস্থার লিড ইকোনমিস্ট রবার্ট শুভ্র গুদা এবং সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট শাহনাজ হীরা।

উন্নয়ন সমন্বয়ের বাজেট বিশ্লেষণ উপস্থাপনের সময় ড. আতিউর বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৩ দশমিক ৫ লাখ করায় মুদ্রাস্ফীতির চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবেন অনেক নাগরিক। তবে ধনীদের সম্পদের ওপর করের সীমা ৩ কোটি থেকে ৪ কোটিতে উন্নীত করা, শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের বিদেশযাত্রায় বাড়তি করারোপের আওতায় রাখার মতো কিছু কর প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে। আর করযোগ্য নন এমন ব্যক্তিদের জন্যও ন্যূনতম দুই হাজার টাকার করের প্রস্তাবটি রাজস্ব আয় এবং কর প্রদানের সংস্কৃতির প্রসারে সহায়ক হতেও পারে বলে তিনি মনে করেন। তবে এটা যেন সাধারণ মানুষের হয়রানির কারণ না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলে তৃণমূল পর্যায়ের চাহিদা মেটাতে নতুন নতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন রবার্ট শুভ্র গুদা।