ইমন কাজী ও আল-আমিন উভয়ই অটোরিকশা চালাতেন। এই সুবাদে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। আল-আমিনের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন ইমন। একপর্যায়ে আল-আমিনের স্ত্রীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আল-আমিনকে না জানিয়ে অটোরিকশাতে করে তার স্ত্রীকে নিয়ে কয়েকবার ঘুরতেও যান ইমন। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ইমনকে হত্যার ছক আঁকেন আল-আমিন। স্ত্রীকে শ^শুরবাড়ি পাঠিয়ে বাসায় দাওয়াত দেন ইমনকে। পরে আল-আমিন কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেন তাকে। লাশ গুম করতে বস্তায় ভরে ফেলে দেন ঝোপের মধ্যে। ইমন হত্যায় জড়িত আসামি আল-আমিনকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। গত সোমবার রাতে বরিশালের হিজলা থানাধীন গোবিন্দপুর খন্না এলাকা থেকে আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।