বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও জাতীয় ক্যানসার হাসপাতাল ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বিএসএমএমইউ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার নামে এ বিশ্ববিদ্যালয় জাতির কাছে অনেক আবেগ-অনুভূতির বিষয়। এখানকার যেকোনো কিছুতে আমরা গুরুত্ব দিয়ে থাকি। বিশ্ববিদ্যালয়টির নিয়োগ কার্যক্রমসহ নানা অভিযোগ আমাদের কানে এসেছে। আমরা এগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখব।’
জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, ‘ক্যানসার হাসপাতালে নানা সময়ে জটিলতা ছিল। করোনার কারণেও যন্ত্র কেনাকাটায় সমস্যা হয়েছে। তবে আমরা সংকট সমাধানের চেষ্টা করছি।’
গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ সভাপতি মুরসালিন নোমানী। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর : দেশের শহর অঞ্চল থেকে গ্রামে ক্যালরি গ্রহণের মাত্রা বেশি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘দেশে এখন মানুষের ক্যালরি গ্রহণের মাত্রা ২১০০-এর ওপরে, এটা অনেক ভালো। ক্যালরি গ্রহণের এ মাত্রা পাকিস্তান ও ভারতের থেকেও বেশি।’
গতকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২৩-এর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মুহাম্মাদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মো. খুরশিদ আলম ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খান।
‘প্রতিটি জেলা শহরে শিশু হাসপাতাল হবে’ : ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি জেলা শহরে শিশু হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমানে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একটি করে শিশু হাসপাতাল স্থাপনের জন্য নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গতকাল স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এ সংক্রান্ত লিখিত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারি দলের সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণ।